ডাকাতি মামলায় নাম আসার একদিন পর নিজের অবস্থান জানাতে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন পাবনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য নুরুন্নবী আলম। তবে গোয়েন্দা পুলিশের উপস্থিতির খবর পেয়ে সংবাদ সম্মেলনস্থল ছেড়ে পালিয়ে যান তিনি ও মামলার অন্য আসামিরা।

এর আগে, মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাতে পাবনার ঈশ্বরদীর দিয়ার বাঘাইল এলাকায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঝুট বোঝাই দুটি ট্রাক ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী জিয়াউল হাসান বিপ্লব বাদী হয়ে পাবনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য নুরুন্নবীসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে ঈশ্বরদী থানায় মামলা করেন।

ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে গাছপাড়া এলাকা থেকে ডাকাতি হওয়া দুটি ট্রাক উদ্ধার করে পাবনা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি বিশেষ দল।

আরও পড়ুন

যানজট ও ডাকাতি প্রতিরোধে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হাইওয়ে পুলিশের

বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে পাবনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ইনচার্জ রাশেদুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার রাতে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় লুট হওয়া ঝুটের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭০ লাখ টাকা।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রূপপুরের কড়ইতলা এলাকায় ডাকাতি মামলার আসামি নুরুন্নবীসহ অন্যরা অবস্থান করছেন এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নুরুন্নবীসহ তার সহযোগীরা কৌশলে পালিয়ে যান।

ডিবির এই কর্মকর্তা আরও জানান, মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নিজামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং তাদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

শেখ মহসীন/এসজেডএইচ/জেআইএম