পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন নতুন করে প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, যদি একটি পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন প্রণয়ন করা হয়, তবে আইনের সমতা ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে নারীরা ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন’-এর অপব্যবহার করতে পারবেন না।
এছাড়া বিবাদীর ওপর ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ নামে একটি নতুন আইন প্রণয়ন করার জন্য নির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রার্থনা করা হয়েছে রিটে।
রিটে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন’ অপব্যবহারের মাধ্যমে পুরুষদের অপ্রয়োজনীয় হয়রানি থেকে রক্ষা করার জন্য ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ নামে একটি নতুন আইন প্রণয়নে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা এবং ব্যর্থতা কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত এবং আইনগতভাবে অকার্যকর ঘোষণা করা হবে না; এবং ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন’ বা ‘যৌতুক আইন’ অপব্যবহারের মাধ্যমে পুরুষদের অপ্রয়োজনীয় হয়রানি থেকে রক্ষা করার জন্য বিবাদীদের কেন ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ নামে একটি নতুন আইন প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হবে না, এই মর্মে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে।
রুল শুনানি পেন্ডিং থাকা অবস্থায়, ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’-এর অপব্যবহারের মাধ্যমে পুরুষদের অপ্রয়োজনীয় হয়রানি থেকে রক্ষা করার জন্য বিবাদীদের ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ নামে একটি নতুন আইন প্রণয়নের নির্দেশ দিতে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ চাওয়া হয়েছে রিটে।
রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
রিটকারীদের দাবি, পুরুষকে ঘায়েল করার জন্য এসব মিথ্যা মামলা করা হয়। সামান্য ঝগড়াঝাঁটির জের ধরে অনেক নারী আদালতে নারী নির্যাতন আইনে মামলা করে বছরের পর বছর স্বামীকে জেল খাটান।
মঙ্গলবার হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে রিট আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে।
এফএইচ/এমআইএইচএস








