অযোধ্যার রামমন্দিরে ভক্তদের অনুদানের অর্থে অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে চলমান বিতর্কের মধ্যে নতুন করে আলোচনায় এসেছে মন্দিরের প্রশাসনিকব্যবস্থা। অনুদানের অর্থ গণনার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের মধ্যে ২৩ জন একযোগে দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ায় বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে। কাজের সময় বাড়ানো এবং বেতন কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। তবে মন্দির কর্তৃপক্ষ এর ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
এক মাস ধরে রামমন্দিরে অনুদানের অর্থে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গন সরগরম। এ ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে উত্তরপ্রদেশের রাজ্য সরকারের গঠিত বিশেষ দল বিষয়টি তদন্ত করছে। তদন্তের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার হাতে দেওয়ার দাবিতে করা একটি আবেদনের শুনানি সোমবার ভারতের সর্বোচ্চ আদালতে হওয়ার কথা রয়েছে।
রামমন্দিরের প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠনের বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, মন্দির নির্মাণ প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সাবেক প্রধান সচিব নৃপেন্দ্র মিশ্রকে মন্দির পরিচালনার শীর্ষ প্রশাসনিক দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। যদিও এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশের মধ্যে মতভেদ আছে। তাদের আশঙ্কা, এতে মন্দির পরিচালনায় সরকারি প্রভাব আরও বাড়তে পারে।
সূত্র জানায়, যাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, তাদের অধিকাংশই অনুদানের অর্থ গণনা এবং তা ব্যাংকে জমা দেওয়ার কাজে যুক্ত ছিলেন। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর ওই দায়িত্বে থাকা অন্য কর্মীদের কাজের ধরনেও পরিবর্তন আনা হয়।
পদত্যাগ করা কর্মীদের অভিযোগ, কাজের চাপ বাড়লেও তাদের বেতন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে মন্দির কর্তৃপক্ষের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের দাবি, অনুদানের অর্থ গণনার কাজে থাকা কর্মীদের অন্য দায়িত্বে স্থানান্তর করা হয়েছিল। সেই কারণেও অনেকে দায়িত্ব ছেড়ে দিতে পারেন।








