সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের জন্য প্রথমবারের মতো ‘প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন প্রতি সন্তানের জন্য মাসে তিন হাজার টাকা ভাতা পাবেন কর্মচারীরা।
আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন বেতনকাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সেখানে ‘প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা’ চালুর সিদ্ধান্ত হয়। পরে তথ্য অধিদপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে বেতন বৃদ্ধির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ইন্টারনেট ও ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যয় বিবেচনায় মোবাইল ভাতার আওতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এত দিন শুধু পঞ্চম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য মোবাইল ভাতা প্রযোজ্য ছিল। নতুন বেতন স্কেলে সব গ্রেডের কর্মচারীরা মোবাইল ভাতা পাবেন।
বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ১ থেকে ১১ নম্বর গ্রেডে মূল বেতন ১০০ শতাংশ এবং গ্রেড-১২ থেকে ২০ পর্যন্ত মূল বেতন ১১৫ থেকে ১৪২ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নতুন এই বেতনকাঠামো গত ১ জুলাই থেকে বাস্তবায়ন হবে। তবে একসঙ্গে নয়, ধাপে ধাপে তা বাস্তবায়ন হবে।
বেতন স্কেল বাস্তবায়নের আর্থিক অবস্থা ও মূল্যস্ফীতির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে সরকার পুরো বেতন স্কেল একযোগে বাস্তবায়ন না করে চলতি ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮—এই দুই অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে আগামী বছরের (২০২৭) মধ্যে মূল বেতন মোট তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। তবে বিভিন্ন ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে একযোগে কার্যকর হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ।








