সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ২০১৩ সালে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া সংক্রান্ত মামলায় সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শুনানি শেষে এ আদেশ দেন ঢাকার মহানগর আদালত। মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গতকাল বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালত জগলুল পাশাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এছাড়া তদন্ত কর্মকর্তার করা ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।
আরও পড়ুন
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া সাবেক যুগ্ম সচিব গ্রেফতার
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ৪ আগস্ট রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর ভাটারা থানার এক বাসা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) জগলুল পাশাকে গ্রেফতার করে। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করে গুলশান জোনাল টিমের পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) আনোয়ার হোসেন ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে ১৭ নম্বর আসামি হিসেবে নাম থাকা জগলুল পাশাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন, অন্যান্য পলাতক আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেফতার এবং মামলার সুষ্ঠু তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। এ কারণে তাকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর জগলুল পাশাসহ এজাহারভুক্ত ১১১ জন এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২৫০ থেকে ৩০০ জন গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন। অভিযোগে বলা হয়, তারা সড়কে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন, বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মারধর করেন এবং এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেন।
আরও পড়ুন
সচিবালয়ের সামনে ১১ দলীয় ঐক্যের অবস্থান, পুলিশি বাধায় ‘ধাক্কাধাক্কি’
অভিযোগে আরও বলা হয়, পরদিন ২৯ ডিসেম্বর সকালে নির্ধারিত সমাবেশে যোগ দিতে খালেদা জিয়া বাসা থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিলে বালুভর্তি ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন দিয়ে রাস্তা অবরুদ্ধ করা হয়। তাকে বাইরে যেতে বাধা দেওয়া হয় এবং হত্যার উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ পিপার স্প্রে ব্যবহার করা হয়। এতে খালেদা জিয়াসহ তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের অক্টোবরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লতিফ হল শাখা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শরীফুল ইসলাম শাওন গুলশান থানায় মামলা করেন।
এমডিএএ/কেএসআর








