পেনাল্টি মিস করেছিলেন। প্রথমার্ধজুড়ে বারবার আটকে গিয়েছিলেন ইয়াসিন বুনুর হাতে। বোস্টনের রাতটা যেন কিলিয়ান এমবাপ্পের জন্য হতাশার গল্পই হতে যাচ্ছিল। কিন্তু তারকাদের আলাদা করে চেনায় তাঁদের ফিরে আসার ক্ষমতা। দ্বিতীয়ার্ধে সেই চেনা রূপেই জ্বলে উঠলেন ফরাসি অধিনায়ক। নিজে গোল করলেন, আরেকটি গোল বানিয়ে দিলেন। ফ্রান্সকে ২–০ ব্যবধানে সেমিফাইনালে তুলে দেওয়ার পাশাপাশি গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও আবার উঠে এলেন সবার ওপরে।

মরক্কোর বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে এক গোল ও এক অ্যাসিস্ট করেছেন এমবাপ্পে। তাতে চলতি বিশ্বকাপে তাঁর গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮-এ। সমান ৮ গোল রয়েছে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসিরও। তবে অ্যাসিস্টের হিসাবে এগিয়ে আছেন এমবাপ্পে। ফরাসি ফরোয়ার্ডের অ্যাসিস্ট এখন ৩টি, যেখানে মেসির রয়েছে ১টি।

সেই কারণেই গোল্ডেন বুটের দৌড়ে আপাতত সবার ওপরে আছেন এমবাপ্পে। মরক্কোর বিপক্ষে গোল করে বিশ্বকাপে নিজের মোট গোলসংখ্যা ২০-এ নিয়ে গেছেন তিনি। একই সঙ্গে এবারের বিশ্বকাপে তাঁর অবদান এখন ১১ গোলে (৮ গোল ও ৩ অ্যাসিস্ট)। ১৯৭০ সালের পর প্রথম ফুটবলার হিসেবে এক বিশ্বকাপে অন্তত ১১টি গোলে সরাসরি অবদান রাখার কীর্তি গড়েছেন ফরাসি অধিনায়ক। ফ্রান্সের ইতিহাসে তিনিই প্রথম খেলোয়াড়, যিনি ১০০ গোলে সরাসরি অবদান রেখেছেন।

এমবাপ্পের পাস থেকেই মরক্কোর বিপক্ষে দ্বিতীয় গোলটি করেন উসমান দেম্বেলে। ফলে দেম্বেলের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫-এ। ২০০২ বিশ্বকাপেে ব্রাজিলের রোনালদো (৮) ও রিভালদোর (৫) পর প্রথম দল হিসেবে একই আসরে একই দলের হয়ে অন্তত ৫টি করে গোল করলেন এমবাপ্পে (৮) ও দেম্বেলে (৫)।