০
নরওয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের একটিও জিততে পারেনি ব্রাজিল (তিন হার ও দুই ড্র)। আন্তর্জাতিক ফুটবলে মুখোমুখি হওয়া বাকি ৯০ দেশের বিপক্ষেই জয় আছে সেলেসাওদের
৪
বিশ্বকাপের এক আসরে চারবার ম্যাচ জেতানো গোল করা চতুর্থ খেলোয়াড় নরওয়ের আর্লিং হলান্ড
৩
এবারের বিশ্বকাপে তিন ম্যাচে একাধিক গোল করলেন হলান্ড। এক আসরে তার চেয়ে বেশি চার ম্যাচে একাধিক গোলের কীর্তি আছে শুধু ফ্রান্সের জাঁ ফঁতে (১৯৫৮) ও হাঙ্গেরির স্যান্ডর ককচিচের (১৯৫৪)
৭
এবারের বিশ্বকাপে সমান সাতটি করে গোল করেছেন হলান্ড, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লিওনেল মেসি। এক আসরে তিনজন ভিন্ন খেলোয়াড়ের সাত গোলের প্রথম নজির এটি
২
পেলের পর ব্রাজিলের দ্বিতীয় ফুটবলার হিসাবে চারটি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করলেন নেইমার
৬
২০০২ আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর টানা ছয়টি বিশ্বকাপে ইউরোপের কোনো দলের কাছে হেরে বিদায় নিল ব্রাজিল
৩৬
৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালের আগেই বিদায় নিল ব্রাজিল
৪
বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে দুটি পেনালটি পেয়েও বিদায় নেওয়া চতুর্থ দল ব্রাজিল
৪০
৪০ বছর পর বিশ্বকাপে পেনালটি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হলেন ব্রাজিলের কোনো ফুটবলার। ব্রুনো গিমারেসের আগে সবশেষ ব্রাজিলীয় হিসাবে ১৯৮৬ আসরে পেনালটি মিস করেছিলেন জিকো
৩৪
নরওয়ের বিপক্ষে মাত্র ৩৪ শতাংশ সময় ব্রাজিলের দখলে ছিল বল। বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে এটাই সেলেসাওদের সর্বনিম্ন বল পজেশন
১
আজতেকা স্টেডিয়ামে মেক্সিকোকে হারানো প্রথম দল ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপে এই মাঠে নিজেদের আগের ১০ ম্যাচে অপরাজিত ছিল মেক্সিকো
২
১৯৮৬ আসরের সেমিফাইনালে দিয়েগো ম্যারাডোনার পর আজতেকা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে দুই গোল করা প্রথম ফুটবলার ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহাম
৬
বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে ইংল্যান্ডের হয়ে গ্যারি লিনেকারের সর্বোচ্চ ছয় গোলের রেকর্ড স্পর্শ করলেন হ্যারি কেইন
১১
এ নিয়ে ১১ বার বিশ্ববাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ড। তাদের চেয়ে বেশিবার কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছে শুধু ব্রাজিল (১৫) ও জার্মানি (১৪)








