পুলিশ যদি নিজে কোনো অপরাধে যুক্ত হয়ে পড়ে, পুলিশ যদি নাগরিকদের সঙ্গে অপেশাদার আচরণ করে, পুলিশ যদি নিপীড়ন বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে, নাগরিকেরা কার কাছে নালিশ করবে? সেই পুলিশের কাছেই? তারা নিজেরাই নিজেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করবে? পুলিশের সংস্কার কেন প্রয়োজন, তা নিয়ে লিখেছেন ফিরোজ আহমেদ
ঠিক ১০ বছর আগে, ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে প্রথম আলোতে একটা শিরোনাম দেখেছিলাম—‘মাছের রাজা ইলিশ আর দেশের রাজা পুলিশ’। রাজধানীর মীর হাজীরবাগ এলাকায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র দাসকে মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে পেটানোর সময় পুলিশ এ কথাই বলছিল বলে জানিয়েছিলেন প্রত্যক্ষদর্শী একজন নারী পরিচ্ছন্নতাকর্মী। আহত বিকাশ চন্দ্র দাসকে আইসিইউতে যেতে হয়েছিল।
আওয়ামী লীগ আমলে অজস্র পুলিশি নির্যাতন ও নিপীড়নের দৃশ্যের মাধ্যে এটা অবশ্য তত উল্লেখযোগ্য কিছু নয়, কিন্তু ওই উক্তিটার কারণেই সংবাদটার কথা ফিরে ফিরে মনে আসে।
ক্রসফায়ার, গুম ও নিপীড়নের ঘটনার মতো ব্যাপক দুর্নীতির সঙ্গেও পুলিশের নাম জড়িয়েছে। গত সরকারের আমলেই প্রথম আলোর আরেকটি সংবাদের শিরোনাম ছিল সাবেক পুলিশপ্রধানকে নিয়ে: ‘বেনজীর পরিবারের ৩৪৫ বিঘা জমি, সবচেয়ে বেশি স্ত্রীর নামে’। এত বিপুল অর্থ তাঁরা বিদেশে পাচার করেছেন, যা খুব কম সফল ব্যবসায়ীই করতে পারবেন।
পুলিশ সংস্কারের দাবি খুব জোরালোভাবে উঠেছিল ৫ আগস্টের পরপর রাজারবাগেও। পুলিশের নিম্নপদস্থ অংশগুলো সংঘবদ্ধভাবে এমন কতগুলো দাবি তুলেছিল, যা আদতে জনগণেরই দাবি!
পুলিশ কাঠামোগতভাবে ঔপনিবেশিক আমলের রয়ে গেছে। প্রবল বৈষম্যমূলক এই কাঠামোর সংস্কার করে মান যাচাইয়ের ভিত্তিতে পেশাগত উন্নতির সুযোগ সবার জন্য যৌক্তিক ও ন্যায্য করা প্রয়োজন।
মৌলিক যে প্রশ্নগুলো জনগণকে হাসিনা সরকারের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল, সেই জায়গাগুলোতে সংস্কার না করা হলে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তির জন্যই অপেক্ষা করতে হবে।
বাংলাদেশ রাষ্ট্রে কিছু একটা ঘটেছে, যা পুলিশকে দেশের রাজা বানিয়েছে, বাকিদের বানিয়েছে প্রজা। যেকোনো ন্যায্য ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন–সংগ্রাম দমনে পুলিশ ছিল সরকারের প্রধান ঢাল। ২০১৪ সালের নির্বাচন সরকার সম্পন্ন করতে পেরেছিল প্রধানত পুলিশের ওপর ভর করেই। ঐতিহাসিকভাবেই পুলিশের সঙ্গে বাংলাদেশে জনগণের সম্পর্কটা স্বাভাবিক ছিল না কখনোই, কিন্তু রাজা হওয়ার অনুভূতিটা পুলিশের মধ্যে ২০১৪ সাল থেকেই প্রবল হতে শুরু করে। ২০১৮ সালের রাতের ভোটেও পুলিশই ছিল প্রধান অস্ত্র।
বলা যায়, আওয়ামী লীগ পুরোপুরি একটা পুলিশনির্ভর রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছিল। পুলিশকে দিয়ে যা করা যেত না, তার জন্য ছিল সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা। তবে পুরো নিপীড়নব্যবস্থার মেরুদণ্ড ছিল পুলিশ।
২.
এর মধ্যে একটা আস্ত গণ–অভ্যুত্থান ঘটে গেছে। কিন্তু লক্ষণ বদলেছে কতখানি? গত কয়েক দিনের শিরোনামগুলো খেয়াল করুন। একজন জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে পিটিয়েছে পুলিশ। পুলিশ হেফাজতে একজন যুবলীগ কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। তুরাগ নদের পানিতে ডুবে ছাত্রলীগ পরিচয় আছে এমন একাধিক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।
এখন পর্যন্ত রাস্তায় নানা দাবিদাওয়ার আন্দোলন–সংগ্রাম তত প্রবল নয়, তবে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও বিক্ষোভকারীদের ওপর এবং বিশেষ করে নারীদের ওপর পুলিশের নৃশংসভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ার কতগুলো দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে।
আরও একটা শিরোনাম ছিল এমন—‘মামলা নিয়ে বহুস্তরের বাণিজ্য, জড়িত রাজনীতিক, পুলিশ’। গণ–অভ্যুত্থানের পর মামলা–বাণিজ্য করে লীগের নেতাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করাটা গোটা দেশেই আলোচনায় আছে। এখানেও পুলিশের বদল নেই। লীগ আমলেও প্রতিটি নির্বাচনের আগে কিংবা আন্দোলন কর্মসূচির আগে-পরে বিপুল মামলা–বাণিজ্য চলত।
জনপ্রশাসন ও পুলিশ সংস্কার কেন জরুরিপরিস্থিতির মাঝে ইতিবাচক পরিবর্তন বলতে যদি কিছু পাওয়া যায়, সেটুকু হলো হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুর পর ফরিদপুরে ডিবির ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তুরাগে মৃত্যুর ঘটনাগুলোতে রাজনৈতিক নেতাদের পক্ষ থেকে কোনো উল্লাস প্রকাশ করা হয়নি। মৃত্যু বা নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের দলীয় পরিচয় দিয়ে সেগুলোকে যৌক্তিক করার লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না।
কিন্তু এটুকু পরিবর্তন কতটুকু স্বস্তির? ১৯৯০ সালের গণ–অভ্যুত্থানের স্মৃতি যাঁদের মনে আছে, তাঁরা খেয়াল করতে পারবেন, অভ্যুত্থানের পর কিছুকাল পুলিশের আচরণ একরকম সংযতই ছিল। ক্রমে পুলিশ শুধু দলীয় লাঠিয়াল নয়, অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত কারণেই আবারও নিপীড়ক, জবাবদিহিহীন ও বেপরোয়া দুর্নীতিপরায়ণ হতে শুরু করে।
এখন পর্যন্ত পুলিশের আচরণ যদি তুলনামূলকভাবে খানিকটা লাগাম টানা হয়েই থাকে, তা কতটুকু পুলিশের মৌলিক পরিবর্তনের ইশারা দেয়? কতটুকু তা আসলে অভ্যুত্থানের ধাক্কার স্মৃতি থেকে পুরোপুরি সামলে না ওঠার ফল? তারা যে ধীরে ধীরে চেনা রূপে আত্মপ্রকাশ করবে না, তার নিশ্চয়তা কী? এর কিছু লক্ষণ ইতিমধ্যে দেখা যেতে শুরু করেছে।
আরও বড় প্রশ্ন হলো, পুলিশের অন্যায়ের শাস্তি কি বড়কর্তা বা রাজনৈতিক নেতাদের মর্জিমাফিক হবে? নাকি তার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা থাকবে?

৩.
পুলিশ সংস্কার শুধু যে নাগরিকদের দাবি, তা নয়। পুলিশ সংস্কারের দাবি খুব জোরালোভাবে উঠেছিল ৫ আগস্টের পরপর রাজারবাগেও। পুলিশের নিম্নপদস্থ অংশগুলো সংঘবদ্ধভাবে এমন কতগুলো দাবি তুলেছিল, যা আদতে জনগণেরই দাবি!
অর্থাৎ পুলিশের মাঝেও আলাদা ‘রাজা’বর্গ রয়েছেন, বাকিরা লাঠিয়াল। জনগণের মুখোমুখি এক মাসের যুদ্ধের পর, বহু প্রাণ নেওয়া ও কিছু প্রাণ দেওয়ার পর তাঁরা আবিষ্কার করলেন: সব পুলিশ সমানভাবে বিপদগ্রস্ত নন, সব পুলিশের জীবন সমান নয়, এক বর্গের পুলিশই কেবল প্রাণ দেন, আঘাত সহ্য করেন এবং যেকোনো বাছবিচারহীন হুকুম তামিল করতে বাধ্য হন। পুলিশের সেই ১১ দফার প্রথম দফাটাই ছিল: রাজনৈতিকভাবে যাতে পুলিশকে ব্যবহার করা না যায়, এ কারণে কমিশন গঠন করতে হবে।
নাগরিকদের দিক থেকে পুলিশের সংস্কার বলতে আসলে কী বুঝি? পুলিশ বাহিনীর আধুনিকায়নের জন্য মোটাদাগে তিন ধরনের সংস্কার প্রয়োজন:
ক) কাঠামোগত সংস্কার। পুলিশ কাঠামোগতভাবে ঔপনিবেশিক আমলের রয়ে গেছে। তিন স্তরে বিভক্ত এবং প্রবল বৈষম্যমূলক এ কাঠামোর সংস্কার করে মান যাচাইয়ের ভিত্তিতে পেশাগত উন্নতির সুযোগ সবার জন্য যৌক্তিক ও ন্যায্য করা প্রয়োজন।
পুলিশ সংস্কার কি আদৌ হবে, কতটুকু হবেখ) প্রশিক্ষণগত সংস্কার। পুলিশের সদস্যদের উপযুক্ত শিক্ষা, আচরণগত ও মনস্তাত্ত্বিকসহ সব ধরনের পেশাগত প্রশিক্ষণ ও মান উন্নয়ন প্রভৃতি দিকে যথাযথ নজর দেওয়া দরকার। পুরো বাহিনীর কাঠামোগত সংস্কারের অন্যতম অংশ হিসেবে যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত ও মান উত্তীর্ণ পুলিশ সদস্যদের জন্য পেশাগত বিকাশের সব সুযোগ উন্মুক্ত করা প্রয়োজন।
গ) কর্মস্থলের সংস্কার। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাধারণ পুলিশ সদস্যদের ভৃত্যসুলভ সম্পর্কে পরিবর্তন আনাটা জরুরি। পুলিশের ছুটি, ওভারটাইম, পেশাগত ঝুঁকি ইত্যাদি ক্ষেত্রে যৌক্তিক সংস্কার জরুরি। এর সঙ্গে প্রয়োজন কর্মস্থলে পুলিশ সদস্যরা যে দাবিটা ৫ আগস্টের পর তুলেছিলেন, ঊর্ধ্বতন ব্যক্তি বেআইনি আদেশ দিলে তা মানতে বাধ্য না হওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা।
ওপরে বলা প্রতিটি বিষয়ই অত্যন্ত জরুরি এবং এর প্রতিটি বিষয় নিয়েই স্বতন্ত্র নিবন্ধ হতে পারে। কিন্তু এই আধুনিক পুলিশ বাহিনীও একই রকমের ‘গণশত্রু’ ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারে, যদি জনগণের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্কের কোনো মৌলিক রূপান্তর না ঘটে। পুলিশের সেই সংস্কারটাই সবচেয়ে জরুরি সংস্কার।

৪.
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পুলিশি হেফাজতে মৃত্যুর মতো ঘটনাতেও সর্বোচ্চ শাস্তি কেবল বদলিটুকুই হয়ে থাকে। এর বাইরেও অজস্র যেসব নিপীড়ন, চাঁদাবাজি, হয়রানি, দায়িত্বহীনতা, কর্তব্যে অবহেলা, দুর্নীতি, ভীতি প্রদর্শন ইত্যাদি ঘটনা ঘটে, তার বড় অংশের ক্ষেত্রেই বিষয়টা অভিযোগের স্তর পর্যন্তই যায় না।
এর কারণ হলো, এই সবগুলো অপরাধ পুলিশের অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত প্রক্রিয়ার কারণে হয়। পুলিশের বহু সদস্য এর অংশীদার, বাকিরা হয়তো নীরব থাকেন। পুলিশের অভ্যন্তরীণ তদন্ত অনুসন্ধান প্রক্রিয়ায় এই অপরাধগুলো কখনোই উদ্ঘাটিত হবে না, কিংবা হলেও প্রকাশ্যে আসবে না। এমনকি এই ধরনের বহু অপরাধকে আদতে অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেই তাঁরা হয়তো রাজি হবেন না। যেমন দেশের পরিবহনব্যবস্থা নিয়ে কাজ করা প্রত্যেক মানুষ জানেন, ঢাকার পরিবহন জগতের বিশৃঙ্খলা স্থায়ী হওয়ার একটা বড় কারণ হলো পুলিশের বহু সদস্যের জন্য এই বিশৃঙ্খলাই লাভজনক।
পুলিশ যদি নিজে কোনো অপরাধে যুক্ত হয়ে পড়ে, পুলিশ যদি নাগরিকদের সঙ্গে অপেশাদার আচরণ করে, পুলিশ যদি নিপীড়ন বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে, নাগরিকেরা কার কাছে নালিশ করবে? সেই পুলিশের কাছেই? তারা নিজেরাই নিজেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করবে?
বেনজীরের মতো ঘটনায় অভ্যন্তরীণ রেষারেষির কারণে, কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার নিজেদের ক্ষমতার বিবাদে বেনজীর অবসর নেওয়ার পর তাঁর সম্পদ নিয়ে প্রচুর তথ্য প্রকাশিত হয়। কিন্তু বেনজীর যখন ক্ষমতায় ছিলেন, তাঁর ঘড়ির দাম নিয়ে নেত্র নিউজ বিদেশ থেকে সংবাদ প্রচার করেছিল। দেশের ভেতরকার গণমাধ্যমগুলোর জন্য সেই সংবাদ প্রকাশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল।
তাহলে কি পুলিশের কর্তাদের বিবাদ ছাড়া সেখানকার দুর্নীতির সংবাদ আমরা আদৌ পাব না কখনো?
এ কারণেই প্রয়োজন পৃথক ও স্বাধীন তদারকি সংস্থা গড়ে তোলা, যারা পুলিশের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগুলো নিয়ে তদন্ত করবে। এই সংস্থার সদস্যরা তাঁদের বেতন, বদলি, পদোন্নতি, নিয়োগ প্রভৃতির জন্য পুলিশের ওপর নির্ভরশীল থাকবেন না। তাঁরা পুলিশের অনিয়ম ও আইন ভঙ্গের অভিযোগগুলো নিয়ে কাজ করবেন। মাঠে তদন্ত করার সময়ে তদন্তকারী হিসেবে তাঁরা পূর্ণ অধিকার ভোগ করবেন। তাঁদের কার্যালয় পৃথক হবে। তাঁরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা পুলিশ বিভাগের অধীন হবেন না। আদর্শ উদাহরণগুলোতে, এই তদারকি সংস্থার পরিচালনা পর্ষদে বিভিন্ন স্তরের নাগরিক প্রতিনিধিও থাকবেন।
এর জন্য অনেক পৃথক দৃষ্টান্ত ও কাঠামো নানা দেশে রয়েছে। নিউজিল্যান্ডে আছে ইনডিপেনডেন্ট পুলিশ কন্ডাক্ট অথরিটি অব নিউজিল্যান্ড (আইপিসিএ)। কানাডার অন্টারিওতে আছে দ্য স্পেশাল ইনভেস্টিগেশনস ইউনিট (এসআইইউ)। উত্তর আয়ারল্যান্ডে আছে দ্য অফিস অব দ্য পুলিশ ওমবুডসম্যান ফর নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড (ওপিওএনআই)।
জাপানেও এমন সংস্থা রয়েছে যার কর্তৃত্বে রয়েছেন নাগরিকেরা, যদিও সেখানে তদন্ত পরিচালনার কাজে পুলিশের সদস্যরাই যুক্ত। বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয় অনুযায়ী এই সংস্থাগুলোর কাজের ধরনে পার্থক্য রয়েছে, কিন্তু গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণে এই সংস্কার অবিকল্প।
মনে রাখা দরকার, মৌলিক যে প্রশ্নগুলো জনগণকে হাসিনা সরকারের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল, সেই জায়গাগুলোতে সংস্কার না করা হলে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তির জন্যই অপেক্ষা করতে হবে।
● ফিরোজ আহমেদ লেখক ও চিন্তক; সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
*মতামত লেখকের নিজস্ব







