২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে শিরোপার স্বপ্ন শেষ হয়েছে ব্রাজিলের। তবে মাঠে হতাশা থাকলেও আর্থিক দিক থেকে বড় অঙ্কের পুরস্কার নিয়ে ফিরছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)।

ফিফার নির্ধারিত পুরস্কার কাঠামো অনুযায়ী, শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলো পাবে ১ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার। এছাড়া বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য প্রতিটি দলকে ১ কোটি ৫ লাখ মার্কিন ডলার দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ১৫ লাখ ডলার প্রস্তুতি ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ।

সব মিলিয়ে ব্রাজিল পাবে ২ কোটি ৫৫ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার প্রায় ১৪৪ টাকা ধরে) প্রায় ৩৬৭ কোটি টাকা।

এবারের বিশ্বকাপে রেকর্ড ৭২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ১০ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকা) পুরস্কার হিসেবে বিতরণ করছে ফিফা। এটি ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি।

শুধু চ্যাম্পিয়ন দলই পাবে ৫ কোটি মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭২০ কোটি টাকা। রানার্সআপ দল পাবে প্রায় ৪৭৫ কোটি টাকা, তৃতীয় স্থান অধিকারী দল প্রায় ৪১৮ কোটি টাকা এবং চতুর্থ স্থান অধিকারী দল প্রায় ৩৮৯ কোটি টাকা।

অন্যদিকে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা দলগুলো পাবে প্রায় ২৭৪ কোটি টাকা, শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলো প্রায় ২১৬ কোটি টাকা, গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে ১৭ থেকে ৩২তম স্থানে থাকা দলগুলো প্রায় ১৫৮ কোটি টাকা এবং ৩৩ থেকে ৪৮তম স্থানে থাকা দলগুলো প্রায় ১৩০ কোটি টাকা পুরস্কার পাবে।

বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্স সত্ত্বেও সিবিএফের কোষাগারে তাই যোগ হচ্ছে কয়েকশো কোটি টাকার পুরস্কার, যা ভবিষ্যতে ব্রাজিল ফুটবলের উন্নয়ন ও জাতীয় দলের প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আরআর/আইএন