লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ভুলুয়া নদীর ওপর প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতুর একাংশ ধসে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে ওই সেতু দিয়ে চলাচলকারী অন্তত ২৬ হাজার পথচারী ভোগান্তিতে পড়েছেন। গর্তটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কমলনগর উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়নের চর ঠিকা এলাকার ভুলুয়া নদীর ওপর সেতুটির অবস্থান। সেতুর মূল পাটাতনের দক্ষিণ পাশের রেলিং ঘেঁষা অংশের পিচ ও আরসিসি ঢালাই ধসে গিয়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতেকরে সেতুটি দিয়ে চলাচলকারী মোটরসাইকেল, ইজিবাইক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাগুলোকে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা সৃষ্ট গর্তে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।
জানা গেছে, কমলনগর উপজেলার সঙ্গে নোয়াখালী সদরের হানিফ রোডের সরাসরি সংযোগ স্থাপন করেছে সেতুটি। এ সেতু দিয়ে কমলনগরের চর বশু ও চর কাদিরা গ্রামসহ নোয়াখালী সদরের প্রায় ২৬ হাজার মানুষ চলাচল করেন। সেতুর পাশেই গড়ে উঠেছে ‘চরঠিকা স্মার্ট ভিলেজ’ নামে একটি আদর্শ গ্রাম। যার উদ্বোধন করেছিলেন লক্ষ্মীপুরের সাবেক জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল। ওই গ্রামে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যমও এই সেতুটি।
স্থানীয় অ্যাডভোকেট রেদোয়ান হোসেন ফয়সাল জানান, সেতুটি খুবই জনগুরুত্বপূর্ণ। কিছুদিন আগেই কাজ শেষ হয়েছে, আবার ভাঙা শুরু হয়েছে।
উপজেলা প্রকৌশল কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, তিন বছর আগে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। এ কাজের তত্ত্বাবধায়ক ছিল স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সেতুটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে হস্তান্তর করে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কমলনগর উপজেলা প্রকৌশলী আবদুল কাদের মোজাহিদ বলেন, সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। দ্রুত সংস্কারকাজ শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।








