দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সিলেট-ম্যানচেস্টার সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়া উপলক্ষে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বাণিজ্যমন্ত্রী ও সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এ সময় তিনি সিলেট বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের রিজিওনাল হাব করার পরিকল্পনা কথা জানান।
মন্ত্রী মুক্তাদির বলেন, ‘‘আজকে আমাদের জন্য একটা খুশির দিন। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ম্যানচেস্টার ফ্লাইট আবার চালু হয়েছে সিলেটে।’’
এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সিলেটের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রিসভার সদস্যরা সবাই এই (ফ্লাইট চালুর) বিষয়ে উদ্বিগ্ন ও সক্রিয় ছিলেন, এবং সুখের বিষয় হলো প্রধানমন্ত্রীও এ নিয়ে বিশেষভাবে আগ্রহী ছিলেন।
মন্ত্রী মুক্তাদির জানান, বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার আলোচনা করেছেন এবং মন্ত্রী এতে সম্মতিও দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘আগামী দিনে ইনশাল্লাহ সিলেট-কক্সবাজার রুটের বিমান আমরা দেখব।’’
সিলেটবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী সিলেট বিমানবন্দরকে প্রকৃত অর্থে একটি কার্যকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরের বিষয়েও বিমান পরিবহনমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান মুক্তাদির। তিনি বলেন, ‘‘ভবিষ্যতে যেসব আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্স এই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করতে আগ্রহী হবে, মন্ত্রী তা সদয় বিবেচনা করবেন, যাতে সিলেট বিমানবন্দর সত্যিকার অর্থে আন্তর্জাতিক মর্যাদা পায়।’’
নিজের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী মুক্তাদির বলেন, ‘‘সিলেট বিমানবন্দরটিকে আমরা একটা রিজিওনাল কমিউনিকেশন হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’’ এর ব্যাখ্যায় তিনি জানান, এই অঞ্চল ও এর আশপাশের দেশগুলোর মধ্যে যাতায়াতের ফ্লাইট যেন সিলেট বিমানবন্দর ব্যবহার করে।
তিনি আরও বলেন, ‘‘দুই দেশের (ভারতের) সম্পর্ক উপযুক্ত পর্যায়ে উন্নীত হলে ভবিষ্যতে সিলেট থেকে গৌহাটিসহ অন্যান্য রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালুরও ইচ্ছা রয়েছে। আমাদের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, সাংস্কৃতিক যোগাযোগ, ব্যবসায়িক যোগাযোগ সব যেন উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায়, এ লক্ষ্যে আমাদের প্রচেষ্টা চালু থাকবে।’’








