সেঞ্চুরির জন্য কম চেষ্টা করলেন না তানজিদ হাসান তামিম। সফল হননি এই ওপেনার। ছক্কার উদ্দেশে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ধরা পড়লে তাঁর ইনিংস কাটা পড়ে। তামিমের পরই পরই বিদায় নেন তাওহীদ হৃদয়। টানা দুই উইকেট হারালেও আজ আর হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়নি বাংলাদেশকে।
টানা দুই ওয়ানডে হেরে আগেই সিরিজ হাতছাড়া করা বাংলাদেশের সামনে ছিল ধবলধোলাই এড়ানোর লড়াই। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সফরকারীরা এদিন ম্যাচটা জিতল বেশ দাপটের সঙ্গেই; ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে। সান্ত্বনার এই জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ শেষ করল মেহেদী হাসান মিরাজের দল।
জিম্বাবুয়ে সফরে গলার কাঁটা ছিল যে ব্যাটিং ব্যর্থতা, আজ সেখানেই ফুল ফুটিয়েছে বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের করা ১৯৯ রানের জবাবে দুই ওপেনার তামিম ও সৌম্য সরকার মিলে স্কোরবোর্ডে তোলেন ১৫১ রান। সৌম্য বিদায় নিলেও জয়ের খুব কাছে গিয়ে প্যাভিলিয়নে হাঁটেন তামিম। এমন ব্যাটিংয়ে আফসোস হচ্ছে বাংলাদেশের। একটু দেরিতেই ছন্দে ফিরলেন ব্যাটাররা।
প্রথম ব্যাটার হিসেবে ফেরার আগে ৬৯ রান এনে দেন সৌম্য। ৬ চার ও ২ ছক্কায় সাজানো তাঁর ৮২ বলের ইনিংস। নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে জয়ের পথেই ছিলেন তামিম। বাঁহাতি ব্যাটার যখন ৯৪ রানে ব্যাট করছিলেন, জয়ের জন্য তখন ৩ রান দরকার বাংলাদেশের। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত সফল হননি তামিম। সুযোগ থাকার পরও সিঙ্গেলস নেননি। সতীর্থের সেঞ্চুরির জন্য শান্তও চেষ্টা করেছেন। নিজে রান না করে পুরো একটি ওভার ডিফেন্স করেছেন। এরপরও কাজের কাজ হয়নি। ছয় মারতে গিয়ে এরনেস্ট মাসুকুর করা ৩৫তম ওভারের প্রথম বলে ব্রাড ইভান্সের হাতে ধরা পড়েন তামিম। তামিমের ১০১ বলের ইনিংসে ছিল ৮ চার ও ৩ ছয়।
একই ওভারে ফেরা হৃদয় রানের খাতা খুলতে পারেননি। এরপর আর কোনো বিপদ হয়নি বাংলাদেশের। ১৮ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন শান্ত।
টস হারা জিম্বাবুয়ের হয়ে ওয়েসলে মাধেভেরে ও ইভান্স ছাড়া আর কোনো ব্যাটার দাঁড়াতে পারেননি। পুঁজিতে মাধেভেরে ৭৫ ও ইভান্সের অবদান ৫০ রান। এ ছাড়া ইনোসেন্ট কাইয়া করেন ২৫ রান। ৪৪ রানে ৪ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল শরীফুল ইসলাম। তাসকিন আহমেদ ও তানভীর ইসলাম নেন দুটি করে উইকেট।








