শিশু-কিশোরদের মুঠোফোনের ব্যবহার নিয়ে কেন উদ্বিগ্ন অভিভাবকেরা?
সম্প্রতি গাইবান্ধার কুন্দেরপাড়া চরের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনের সুযোগ হয়েছিল।

সেখানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের সঙ্গে শিক্ষাসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলি। মা-বাবা এবং শিক্ষকদের আলোচনায় একটি বিষয় বারবার উঠে আসে—শিশু-কিশোরদের মুঠোফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার। তাঁদের মতে, মুঠোফোনে দীর্ঘ সময় কাটানোর কারণে অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যাচ্ছে।

শুধু গাইবান্ধাতেই নয়, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলেই অভিভাবক ও শিক্ষকদের কাছ থেকে একই ধরনের উদ্বেগের কথা শোনা যায়।

শহর থেকে গ্রাম—সব শ্রেণি-পেশা ও আর্থসামাজিক অবস্থানের পরিবারেই শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের স্ক্রিনে কাটানো সময় ক্রমেই বাড়ছে।

ভিডিও দেখা, অনলাইন গেম খেলা, বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাট করা কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কাটানো-ডিজিটাল ডিভাইস এখন তাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।

শিশুদের জন্য খেলার মাঠ উন্মুক্ত করতে হবে

গবেষণা যা বলছে

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) এক গবেষণায় দেখা গেছে, ঢাকায় প্রতি পাঁচজন শিশুর মধ্যে চারজন (৮৩ শতাংশ) প্রতিদিন দুই ঘণ্টার বেশি সময় বিনোদনমূলক উদ্দেশ্যে স্ক্রিন ব্যবহার করে।

অথচ আন্তর্জাতিকভাবে শিশুদের বিনোদনমূলক স্ক্রিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রায় দুই ঘণ্টার সীমাকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

গবেষণা অনুযায়ী, স্মার্টফোন, টেলিভিশন, ট্যাব, কম্পিউটার ও গেমিং ডিভাইস মিলিয়ে শিশুরা গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৪ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট স্ক্রিনে কাটায়।

গবেষণাটি থেকে আরও জানা যায়, এক-তৃতীয়াংশের বেশি শিশু বিভিন্ন ধরনের চোখের সমস্যায় ভুগছে এবং প্রায় ৮০ শতাংশ শিশু নিয়মিত মাথাব্যথার অভিযোগ করছে।

যারা দিনে দুই ঘণ্টার বেশি স্ক্রিন ব্যবহার করে, তারা গড়ে মাত্র ৭ ঘণ্টা ১৮ মিনিট ঘুমায়। অথচ এই বয়সের শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য প্রতিদিন অন্তত ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন।

একই সঙ্গে প্রায় ১৪ শতাংশ শিশু অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতায় আক্রান্ত এবং যাদের স্ক্রিন ব্যবহারের সময় বেশি, তাদের মধ্যে এই হার তুলনামূলকভাবে বেশি।

গবেষণাটি হাই স্ক্রিন এক্সপোজার অ্যান্ড ইটস অ্যাসোসিয়েশন উইথ ফিজিক্যাল অ্যান্ড মেন্টাল ওয়েল-বিয়িং অ্যামং স্কুল-গোয়িং চিলড্রেন অ্যান্ড অ্যাডোলেসেন্টস ইন বাংলাদেশ: ক্রস-সেকশনাল স্টাডি—জার্নাল অব মেডিক্যাল ইন্টারনেট রিসার্চ (জেএমআইআর) হিউম্যান ফ্যাক্টরসে প্রকাশিত হয়েছে।

বাংলাদেশের এই চিত্র বিশ্বের অন্যান্য দেশের গবেষণার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার পাশাপাশি তাদের সামাজিক ও আবেগসংক্রান্ত বিকাশও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

মুখোমুখি যোগাযোগের দক্ষতা, পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে তোলার সক্ষমতা এবং সামাজিক মিথস্ক্রিয়ার অভ্যাস পর্যাপ্তভাবে বিকশিত না হলে তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ব্যক্তিগত ও সামাজিক উভয় জীবনেই পড়তে পারে।

দীর্ঘ সময় ডিজিটাল স্ক্রিনে চোখ রাখছে শিশুরা, নিয়ন্ত্রণ না করলে বড় ক্ষতির শঙ্কা

প্রয়োজন স্ক্রিনের পরিমিত ব্যবহার

প্রযুক্তি কখনো ভালো বা খারাপ নয়; এর প্রভাব নির্ভর করে আমরা সেটি কীভাবে ব্যবহার করছি তার ওপর। সঠিকভাবে ব্যবহৃত হলে প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে সমৃদ্ধ করে; আর অনিয়ন্ত্রিত বা অনুপযুক্ত ব্যবহার ক্ষতির কারণ হতে পারে।

বর্তমান বিশ্বে ইন্টারনেট শিক্ষা, যোগাযোগ, তথ্যপ্রাপ্তি এবং বিনোদনের একটি অপরিহার্য মাধ্যম। ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরাও শিখনঘাটতি অনেকাংশে পূরণ করতে পারে।

আজ সারা বিশ্বের জ্ঞানভান্ডার, শিল্প-সংস্কৃতি তাদের হাতের নাগালে। তাই শিশুদের প্রযুক্তি থেকে দূরে রাখা কোনো বাস্তবসম্মত বা কাঙ্ক্ষিত সমাধান নয়; বরং তাদের প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার শেখানোই সবচেয়ে জরুরি।

অভিভাবকদের বোঝা প্রয়োজন, কোন পরিস্থিতিতে স্ক্রিনের ব্যবহার শিশুর শেখা ও বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে এবং কখন সেটি তাদের জন্য ঝুঁকি হয়ে ওঠে।

শিক্ষামূলক বিষয়বস্তু দেখা, নতুন দক্ষতা অর্জন, সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া কিংবা পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা—এসব ক্ষেত্রে প্রযুক্তি শিশুদের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

উদ্বেগের কারণ তখনই তৈরি হয়, যখন স্ক্রিনের ব্যবহার ধীরে ধীরে পর্যাপ্ত ঘুম, খেলাধুলা, শারীরিক কার্যক্রম, পারিবারিক সময় এবং সামাজিক মেলামেশার মতো শিশুর সুস্থ বিকাশের অপরিহার্য উপাদানগুলোকে প্রতিস্থাপন করতে শুরু করে।

কিছু লক্ষণ দেখে অভিভাবকেরা সহজেই বুঝতে পারেন যে স্ক্রিনের ব্যবহার শিশুর জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠছে। যেমন ডিভাইস দূরে রাখতে অস্বস্তি বা বিরক্তি অনুভব করা, আগের শখ ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে আগ্রহ হারিয়ে ফেলা, ঘুমের সমস্যা, পড়াশোনার অবনতি, বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া কিংবা সামান্য ঘটনায় অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়া। এসব লক্ষণকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

শিক্ষা প্রযুক্তিতে আমাদের বাচ্চারা কেন পিছিয়ে থাকবে?
স্মার্টফোনে আসক্তি মস্তিস্কের সক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে

শিশুদের মুঠোফোনে ‘আসক্তি’র দায়িত্ব কার?

অনেকেই মন্তব্য করেন, বর্তমান প্রজন্মের শিশুরা মুঠোফোনে ‘আসক্ত’ হয়ে পড়ছে; কিন্তু প্রশ্ন হলো কোনো শিশু কি মুঠোফোনের প্রতি আসক্তি নিয়ে জন্মায়? শিশুরা স্বভাবতই তাদের মা-বাবা বা অভিভাবকের ওপর নির্ভরশীল।

কী খাবে, কী পরবে, কোন খেলনা ব্যবহার করবে, অবসর সময় কীভাবে কাটাবে কিংবা কখন একটি ডিজিটাল ডিভাইস হাতে পাবে—এসব সিদ্ধান্ত মূলত বড়রাই নেন।
সম্প্রতি ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়া এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের সঙ্গে কথা হচ্ছিল। তিনি জানান, ছেলের জেদের কাছে হার মেনে তাকে একটি মুঠোফোন কিনে দিয়েছেন।

এরপর থেকেই ছেলেটির পড়াশোনায় মনোযোগ কমে গেছে। আমি জানতে চাইলাম, ‘এত কম বয়সে তাকে মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার প্রয়োজন কেন মনে হলো? ’ তিনি বললেন, ‘সে বলেছিল, মোবাইল কিনে না দিলে স্কুলেই যাবে না।’

এ ঘটনাটি ব্যতিক্রম নয়; বরং অনেক পরিবারের বাস্তব চিত্রের প্রতিফলন। সন্তানের সব আবদার পূরণ করাই দায়িত্বশীল অভিভাবকত্ব নয়। আবার অযথা সবকিছুতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করাও সমাধান নয়।

বয়স, প্রয়োজন ও মানসিক পরিপক্বতার ভিত্তিতে সন্তানকে সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া, কোন বিষয়ে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে আর কোন বিষয়ে ‘না’ বলতে হবে, সেই বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত নেওয়াই মা-বাবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

অল্প বয়সেই যদি শিশুর হাতে ব্যক্তিগত মুঠোফোন তুলে দেওয়া হয়; কিন্তু সেই সঙ্গে পরিমিত ব্যবহার শেখানো না হয়, তাহলে পরবর্তী সময়ে কেবল শিশুকেই ‘মুঠোফোন আসক্ত’ বলে দায়ী করা যুক্তিসংগত নয়।

সোশ্যাল মিডিয়া শিশু-কিশোরদের যে ক্ষতির দায় এড়াতে পারে না

রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব

বেশির ভাগ এলাকায় খেলার মাঠ, পাঠাগার, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম কিংবা নিরাপদ উন্মুক্ত স্থান না থাকায় শিশুদের অবসর কাটানোর বিকল্পও সীমিত। ফলে ডিজিটাল ডিভাইসই তাদের বিনোদনের প্রধান মাধ্যম হয়ে ওঠে। শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

শিশুবান্ধব নগর ও গ্রাম পরিকল্পনা, নিরাপদ খেলাধুলার স্থান এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ বৃদ্ধি শিশুদের সুস্থ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন; সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।

শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের ডিজিটাল ডিভাইস থেকে দূরে সরিয়ে রাখা সম্ভব নয়, প্রয়োজনও নেই; বরং তাদের এমনভাবে গড়ে তোলা প্রয়োজন, যাতে প্রযুক্তি তাদের শেখার, সৃজনশীলতা বিকাশের এবং পৃথিবীর সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার একটি ইতিবাচক মাধ্যম হয়ে ওঠে।

মা-বাবা ও অভিভাবকদের করণীয়

অনেক মা-বাবাই মনে করেন, প্রযুক্তি সম্পর্কে তাঁদের সন্তানেরা তাঁদের চেয়ে বেশি জানে। ফলে এ বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁরা একধরনের অসহায়ত্ব অনুভব করেন; কিন্তু শিশুদের দায়িত্বশীল ডিজিটাল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রযুক্তিবিদ হওয়া জরুরি নয়।

প্রয়োজন তাদের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলা, আগ্রহের সঙ্গে তাদের জীবনের গল্প শোনা এবং প্রযুক্তির স্বাস্থ্যকর ব্যবহার সম্পর্কে ধীরে ধীরে সচেতন করে তোলা।

শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সুস্থ ডিজিটাল অভ্যাস গড়ে তুলতে কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ—

* শুরু থেকেই নিয়ম গড়ে তুলুন। কোনো অভ্যাস একবার গড়ে উঠলে তা পরিবর্তন করা কঠিন। তাই ছোটবেলা থেকেই শিশুদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিদিন কত সময় এবং কী উদ্দেশ্যে তারা স্ক্রিন ব্যবহার করবে, সে বিষয়ে পারিবারিক নিয়ম তৈরি করুন।

* কারণ ব্যাখ্যা করুন, শুধু নিষেধ নয়। স্ক্রিনের অতিরিক্ত ব্যবহারে ঘুম, মনোযোগ, শারীরিক স্বাস্থ্য এবং মানসিক সুস্থতার ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, তা শিশুদের বয়স উপযোগী ভাষায় বুঝিয়ে বলুন। তারা যখন নিয়মের পেছনের যুক্তি বোঝে, তখন তা মেনে চলার সম্ভাবনাও বাড়ে।

প্রতীকী ছবি

* স্ক্রিনের বিকল্প তৈরি করুন। বই পড়া, খেলাধুলা, ছবি আঁকা, গান, গল্প, বিজ্ঞানচর্চা কিংবা প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটানোর মতো কর্মকাণ্ডে শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের উৎসাহিত করুন। বৈচিত্র্যময় আগ্রহ তৈরি হলে ডিজিটাল ডিভাইসই তাদের অবসরের একমাত্র ভরসা হয়ে ওঠে না।

* পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন। শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। বিশেষ করে ঘুমানোর আগে স্ক্রিন ব্যবহার এড়িয়ে চলা ভালো। কারণ, এটি ঘুমের মান ও সময় উভয়কেই প্রভাবিত করতে পারে।

* ডিভাইসমুক্ত পারিবারিক সময় গড়ে তুলুন। প্রতিদিন কিছু সময় এমনভাবে কাটান, যখন পরিবারের সবাই মুঠোফোন ও অন্যান্য ডিভাইস দূরে রাখবেন। সন্তানদের সঙ্গে গল্প করা, খেলাধুলা, একসঙ্গে খাওয়া কিংবা হাঁটতে যাওয়া—এসব মুহূর্ত তাদের মানসিক বিকাশ এবং পারিবারিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।

* নিজেরাও উদাহরণ তৈরি করুন। শিশুরা বড়দের দেখেই শেখে। তাই মা-বাবা যদি নিজেরাই সারাক্ষণ মুঠোফোনে ব্যস্ত থাকেন, তাহলে শিশুদের স্ক্রিন ব্যবহারে সংযম শেখানো কঠিন হবে।

শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের ডিজিটাল ডিভাইস থেকে দূরে সরিয়ে রাখা সম্ভব নয়, প্রয়োজনও নেই; বরং তাদের এমনভাবে গড়ে তোলা প্রয়োজন, যাতে প্রযুক্তি তাদের শেখার, সৃজনশীলতা বিকাশের এবং পৃথিবীর সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার একটি ইতিবাচক মাধ্যম হয়ে ওঠে।

সেই দায়িত্ব পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ ও রাষ্ট্র—সবার। আজ আমরা শিশুদের যে ডিজিটাল অভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করব, আগামী দিনের সমাজও অনেকটাই তার ওপর নির্ভর করবে।

  • লায়লা খন্দকার উন্নয়ন কর্মী