স্কুল-কলেজগুলোতে ঠিকমতো না পড়ানোয় সারা দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো কোচিং সেন্টার গজিয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, কোচিংগুলো তখনি হয়, যখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঠিকমতো পড়ানো হয় না। স্কুল-কলেজের পড়াশোনায় আশানুরূপ রেজাল্ট না পেয়ে অভিভাবক-শিক্ষার্থীরা কোচিংয়ে ছোটেন। আবার একটা পরীক্ষা হয়ে দীর্ঘদিন শিক্ষার্থীরা বসে থাকে, ভর্তির ক্ষেত্রে দেরি হয়...তখন কিন্তু তাদের কোচিংয়ে পাঠানো হয়।

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের ট্রেনিংয়ে মনোযোগ দিতে হবে, যাতে ক্লাসে ভালো পড়ানোর ব্যবস্থা হয়। একটি স্তর থেকে আরেকটি স্তর, কিংবা পরীক্ষাগুলো দ্রুততম সময়ে সাজিয়ে আমরা শিক্ষার্থীদের কোচিংবিমুখ করতে চাই। আমরা চাই, রেজাল্ট দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের ভর্তির ব্যবস্থা করতে। তাহলেই আর কোচিং ব্যবসা চলবে না। এটা বন্ধ হয়ে যাবে।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) থেকে শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করেন মন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে জানানো হয়, এ বছর ৯টি সাধারণ এবং মাদরাসা ও কারিগরি মিলিয়ে ১১টি বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। এরমধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন, মাদরাসা বোর্ডে ৯২ লাখ ৯০৫ জন এবং কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন।

মোট ছাত্র ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং মোট ছাত্রী ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৬৯৭টি এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯ হাজার ৪৩৯টি। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এএএইচ/এমএএইচ/