ড্রোন সংগ্রহ করতে ইউক্রেনের জন্য প্রায় ৬ বিলিয়ন ইউরো বরাদ্দের ৩৯০ কোটি ইউরো (প্রথম কিস্তি) ছাড় করা শুরু হয়েছে। ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় বাজেটের বিশেষ তহবিলে এই অর্থ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন (ইসি)। নতুন সাপোর্ট লোনের আওতায় এই অর্থ ছাড়া হয়েছে। এর সঙ্গে পশ্চিমা মিত্ররা ইউক্রেনকে ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ১৫ হাজার ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা দিতে পারে।
ইউরোপীয় কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে বলে মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ইউক্রেনিফর্ম। ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ফন ডার লেয়েন বলেন, রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনের প্রতিরোধে তাদের উদ্ভাবনী সক্ষমতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আমরা সেই সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করতে চাই। আজ আমরা উন্নত ড্রোন প্রযুক্তির জন্য প্রথম ধাপে ৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন ইউরো ছাড় করছি। ভবিষ্যতে আরও সহায়তা আসবে।
তিনি আরও বলেন, এই বিনিয়োগ ইউক্রেনকে তার নাগরিকদের সুরক্ষা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ইউরোপের নিরাপত্তা জোরদারে সহায়তা করবে। ন্যায়সঙ্গত ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত ইউরোপ ইউক্রেনের পাশে থাকবে।
ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সভিরিদেঙ্কো নিশ্চিত করেছেন যে, ৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন ইউরো এরই মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে দেশটির রাষ্ট্রীয় বাজেটের বিশেষ তহবিলে স্থানান্তর করা হয়েছে। এই অর্থ ড্রোন উৎপাদন, প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যুদ্ধক্ষেত্রে জরুরি সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহসহ অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে। ইউক্রেনের জন্য এটি নতুন সাপোর্ট লোন কর্মসূচির আওতায় সরাসরি প্রতিরক্ষা সহায়তার প্রথম কিস্তি।
এর আগে, ২৫ জুন একই ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাজেট সহায়তা হিসেবে ইউক্রেন ৩ দশমিক ২ বিলিয়ন ইউরো পেয়েছিল। ফলে এ পর্যন্ত এই তহবিল থেকে দেশটি মোট ৭ বিলিয়ন ইউরো সহায়তা পেয়েছে। এর আগে ইউক্রেনের মন্ত্রিসভা ২০২৬-২০২৭ সালে দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতা বাড়াতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই বিশেষ ঋণের অর্থ ব্যবহারের প্রক্রিয়াও অনুমোদন করেছে।
কেএম








