প্রশ্ন: আমাদের দেশের সুইমিং পুলগুলোতে সাধারণত একসাথে অনেক মানুষ গোসল করতে নামে, তাদের মধ্যে অনেকের শরীর বা কাপড় নাপাক থাকার সম্ভাবনা থাকে, শিশুরাও সুইমিং পুলে গোসল করে এবং গোসলের সময় তাদের পেশাব করে দেওয়ার সম্ভাবনাও থাকে এই পরিস্থিতিতে সুইমিং পুলে গোসল করলে কি শরীর পবিত্র হবে নাকি সুইমিং পুলে গোসল করার পর বাড়িতে এসে আবার গোসল করতে হবে?
উত্তর: যেসব সুইমিং পুলের ক্ষেত্রফল শরয়ী গজ হিসেবে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে একশত (১০০) গজ বা তার চেয়েও বড় আর স্কয়ার ফিটের হিসাবে যার মোট ক্ষেত্রফল দুইশত পঁচিশ (২২৫) স্কয়ার ফিট বা তার চেয়ে বড়, সেসব সুইমিং পুলের পানি বড় পুকুর বা নদীর মতো 'মায়ে জারি' বা বড় চলমান পানির হুকুমে গণ্য হবে। তাই এ রকম সুইমিং পুলে কেউ নাপাক শরীরে নামলে এবং শিশুরা প্রস্রাব করে দিলেও নাপাকির প্রভাব পানিতে প্রকাশ পাওয়ার আগ পর্যন্ত পুলের পানি নাপাক হবে না।
অর্থাৎ, প্রস্রাব করার কারণে বা অন্যান্য নাপাকি মিশ্রিত হওয়ার কারণে পানির রঙ, স্বাদ বা গন্ধের মধ্যে কোনো একটি গুণের পরিবর্তন হলে পানি নাপাক হবে, অন্যথায় নাপাকি মিশ্রিত হলেও পানি পাক বা পবিত্র বলেই গণ্য হবে।
সুতরাং, এ রকম বড় সুইমিং পুলে গোসল করলে শরীর পবিত্র হয়ে যাবে। আলাদা করে আবার গোসল করতে হবে না।
আরও পড়ুন
ফরজ গোসলের নিয়ম ও দোয়া
আর সুইমিং পুল যদি উল্লেখিত পরিমাণের চেয়ে ছোট হয় এবং সেখানে কেউ নাপাক কাপড় বা শরীর নিয়ে নামে অথবা কোনো শিশু প্রস্রাব করে দেয়, তাহলে সুইমিং পুলের সব পানি নাপাক হয়ে যাবে। ফলে এ রকম পানি দিয়ে গোসল করলে শরীর পবিত্র হবে না বরং সুইমিং পুল থেকে বের হওয়ার পর নিজের শরীর ও কাপড় পবিত্র পানি দিয়ে ধুয়ে নেওয়া জরুরি।
আরও পড়ুন
যেসব কারণে গোসল ফরজ হয়
ওএফএফ








