বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, ১৫ বছর বিএনপির নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণে এদেশের যুবকরা প্রাণ দিয়েছে। মানুষ জীবন দিয়েছে, রক্ত দিয়েছে ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরে, আল্লামা সাঈদীকে ঘিরে আন্দোলনে এবং ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে। সেই রক্তের সাগর পেরিয়েই ৫ আগস্ট বাংলার মানুষ নতুন স্বাধীনতার সূর্য ছিনিয়ে এনেছে। কৃষক কার্ড আর ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে দেশের ৭০ ভাগ মানুষের ভোটের রায় নিয়ে ছিনিমিনি খেললে, যে পথে গেছেন শেখ হাসিনা, সেইপথে যাবেন তারেক রহমানও।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন দাবিতে শনিবার বিকালে ময়মনসিংহ নগরীর রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে ১১ দলীয় ঐক্য ময়মনসিংহ বিভাগ আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বত্তৃদ্ধতায় তিনি একথা বলেন।
সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ময়মনসিংহ অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মুহাম্মদ মামুনুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির মূখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া। বক্তব্য দেন নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সোবহানী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানসহ ১১ দলের স্থানীয় ও অন্য নেতারা।
প্রধান অতিথি আরও বলেন, ৭০ ভাগ মানুষের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেছে গণভোটে। এই রায় শান্তিপূর্ণভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছি। বর্তমান সরকার যদি সেটা করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আমরা রাজপথে নামব, মানুষের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব। বাংলার মানুষের অধিকার আদায়ে যে কোনো কঠিন পথ অবলম্বনে কুণ্ঠিত হব না।
সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বিএনপি অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে মিলে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে আমাদের হারিয়েছে। তা না হলে আমরা ১৮০টি সিট নিয়ে সংসদে যেতাম। দেশের রাজনীতিকে স্থিতিশীল করে এবং রাজনৈতিক সংঘাত-দুর্নীতি-বৈষম্য দূর করে নতুন বাংলাদেশ গড়তে আমরা নির্বাচনের ফল মেনে নিয়েছি। আজ গণভোটের রায় কার্যকর না করলে রাজপথে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চলবে।
বাংলাদেশ নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী চীন ও মালয়েশিয়া গিয়ে দেশের জন্য কি নিয়ে এসেছেন, দেশের মানুষকে তা জানাতে পারছেন না।





