কেপ ভার্দের রোমাঞ্চকর বিশ্বকাপ সফর শেষ হলো মাথা উঁচু করে। নকআউট পর্বের শেষ মুহূর্তের এক চরম নাটকীয়তায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার কাছে হার মানতে হলো তাদের। ফুটবল বিশ্বকে এক অনবদ্য ম্যাচ উপহার দিয়ে বিদায় নিল তারা। এমন দারুণ পারফরম্যান্সের পুরস্কারস্বরূপ প্রশংসার পাশাপাশি পেল অর্থও। এই দ্বীপরাষ্ট্র তাদের ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আর্থিক পুরস্কার পেল। ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য নিয়ম অনুযায়ী, শেষ ৩২-এ খেলার জন্য কেপ ভার্দে প্রাইজমানি হিসাবে পাচ্ছে ২৩.৫ মিলিয়ন ডলার। এবারের বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বাড়িয়ে ৪৮ করার পর ফিফা প্রাইজমানি বাড়িয়েছে বহুগুণ। কেপ ভার্দের এই ২৩.৫ মিলিয়ন ডলারের আর্থিক প্যাকেজ তিনটি ভাগে বিভক্ত-বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জনের জন্য বেসলাইন রিওয়ার্ড: ১০ মিলিয়ন ডলার। বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য অনুদান: ২.৫ মিলিয়ন ডলার। শেষ ৩২-এ (রাউন্ড অব ৩২) ওঠার জন্য পুরস্কার: ১১ মিলিয়ন ডলার। এই বিপুল অর্থের একটি অংশ খেলোয়াড় এবং স্টাফরা বোনাস হিসাবে পেলেও বড় একটি অংশ যাবে কেপ ভার্দে ফুটবল ফেডারেশনের তহবিলে। ফেডারেশন এই অর্থ কোচিং, যুব ফুটবল দলের উন্নতি, পরিকাঠামো এবং তৃণমূল স্তরের ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে পারবে। অনেক ছোট ফুটবল দেশের ক্ষেত্রে বিশ্বকাপের এই আয় দিয়ে পরবর্তী বেশ কয়েক বছরের ঘরোয়া ফুটবল কর্মসূচি পরিচালনা করা সম্ভব হয়।








