টানা দেড় বছর বন্ধ থাকার পর পটুয়াখালীর কলাপাড়া ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পুনরায় চালু হয়েছে সিজারিয়ান অপারেশন কার্যক্রম। এতে উপকূলীয় জনপদের গর্ভবতী নারী ও তাদের পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে ফিতা কেটে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ থাকায় উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার গর্ভবতী নারীদের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে যেতে হতো। এতে চিকিৎসা ব্যয় বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে নানা ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে হতো। এখন থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় তুলনামূলক স্বল্প খরচে কলাপাড়া হাসপাতালেই সিজারিয়ান অপারেশন করানোর সুযোগ পাবেন গর্ভবতী মায়েরা।

অবশেষে কলাপাড়া হাসপাতালে চালু হলো সিজারিয়ান অপারেশন

সিজারিয়ান অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়ায় কলাপাড়া ও উপকূলীয় এলাকার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, এতে বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারের গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসাসেবা গ্রহণ সহজ হবে এবং সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

উদ্বোধন শেষে সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেন, দেশের সব উপজেলা পর্যায়ের ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চলতি বছরের মধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে। কলাপাড়া হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশন চালুর ফলে এ অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাসেবায় নতুন গতি আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আসাদুজ্জামান মিরাজ/কেএইচকে/এএসএম