“আলোকিত মানুষ তৈরি হলে সুশাসন কেবল সময়ের ব্যাপার” বলে মন্তব্য করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান।
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনের সেমিনার কক্ষে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আয়োজিত ‘টেকসই উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন: তরুণ সংগঠকদের করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।
এই কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অর্ধশতাধিক প্রতিনিধি অংশ নেন।
উপাচার্য বলেন, “অর্থনীতি, সমাজ ও পরিবেশ—এই তিন জায়গায় যদি আমরা সঠিকভাবে ভারসাম্য আনতে চাই, তবে আমাদের আলোকিত মানুষদের দ্বারা পরিচালিত সরকার প্রয়োজন। প্রতিষ্ঠানপ্রধান হিসেবেও এমন কাউকে প্রয়োজন, যিনি নিজে নৈতিকভাবে আলোকিত। আজকের এই আলোচনা সফল হবে যদি আমরা আলোকিত মানুষ তৈরি করতে পারি। তাহলে টেকসই উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন—এই সবই হচ্ছে শুধু সময়ের ব্যাপার।”
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মো. শামছুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহম্মদ নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবদুর রব এবং প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম। জাবি ইয়েস গ্রুপের উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান ও সহকারী অধ্যাপক তামান্না আজিজ তুলি উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও, কর্মশালার মূল অধিবেশন পরিচালনা করেন টিআইবির সিভিক এনগেজমেন্ট বিভাগের সমন্বয়ক মো. আতিকুর রহমান। তিনি দুর্নীতি প্রতিরোধ, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের উপাদান, সুশাসনের ঘাটতি ও এর প্রভাব, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা এবং তথ্য অধিকার আইন প্রয়োগের কৌশলসহ তরুণ সংগঠকদের করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। জাবি প্রেসক্লাব, জাবি সাংবাদিক সমিতি, মডেল ইউনাইটেড নেশন অ্যাসোসিয়েশন, জাবি থিয়েটার, বাঁধন, জাবি বিজ্ঞান ক্লাব, ডিবেটিং সোসাইটি, জাবি বন্ধুসভা, রিদম, জাবি রিসার্চ সোসাইটি, ফটোগ্রাফি ক্লাব, রেড ক্রিসেন্ট ইয়ুথসহ মোট ৩০টি স্বেচ্ছাসেবী, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।








