স্বামী অজয় চন্দ্র হাওলাদারের পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় স্ত্রী সুপ্রিয়া রানীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। হাসপাতালে মৃত্যুর খবর জেনে লাশ রেখে পালাল স্বামী ও তার স্বজনরা। শুক্রবার পুলিশ লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে। এ ঘটনায় জামাতাকে প্রধান আসামি করে শাশুড়ি দেপালী রানী আমতলী থানায় হত্যা মামলা করেছেন। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ শুক্রবার দুপুরে অজয় চন্দ্র হাওলাদারের বড় বোন রমা রানী হাওলাদারকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনা ঘটেছে আমতলী উপজেলার হরিমৃত্যুঞ্জয় গ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে। জানা গেছে, ২০১২ সালে গাজীপুর বন্দরের বিমল বেপারীর মেয়ে সুপ্রিয়াকে হরিমৃত্যুঞ্জয় গ্রামের অজয় চন্দ্র হাওলাদারের সঙ্গে বিয়ে দেয়। বিয়ের পর থেকেই নানাভাবে স্ত্রী সুপ্রিয়াকে নির্যাতন করে আসছে এমন অভিযোগ মা রানীর। গত পাঁচ বছর ধরে স্বামী অজয় চন্দ্র হাওলাদার তার ছোট ভাই উত্তর হাওলাদারের স্ত্রী স্বরনিকার সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এর প্রতিবাদ করায় স্বামী অজয় চন্দ্র স্ত্রী সুপ্রিয়াকে নির্যাতন করেছে এমন অভিযোগ তার মায়ের।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে স্বামীর পরকীয়া নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হয়। একপর্যায় স্ত্রী সুপ্রিয়াকে স্বামী অজয় চন্দ্র হাওলাদার বেধড়ক মারধর করে।
এর কিছুক্ষণ পর স্বামী অজয় চন্দ্র হাওলাদার তার শাশুড়িকে মুঠোফোনে জানান, সুপ্রিয়া গলায় ফাঁস দিয়েছে। এরপর তার স্বামী ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। ওই হাসপাতালের চিকিৎসক মো. নাজমুল হাসান রাহাত তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। নিহত সুপ্রিয়ার মেয়ে মিথিলা বলেন, বাবার পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় বাবা-মাকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।








