ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া কোথাও কোথাও নদী সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার সাঙ্গু, মাতামুহুরী ইত্যাদি নদী সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলসমূহে বন্যা পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নদ-নদীর পরিস্থিতি এবং পূর্বাভাস জনিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলার গোমতী, মুহুরি, ফেনী, সেলোনিয়া, হালদা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে। এছাড়া লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার মনু, ধলাই, খোয়াই ইত্যাদি নদীর সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলসমূহে বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে। অন্যদিকে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার সারিগোয়াইন, সোমেশ্বরী, যাদুকাটা ও ভুগাই-কংস ইত্যাদি নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে।

এছাড়া আগামী ৩ দিন সুরমা-কুশিয়ারা নদীসমূহের পানি সমতল দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির উদ্ভব/অবনতি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুর জেলার তিস্তা নদী কিছু কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে।

এছাড়াও আগামী ৭২ ঘণ্টায় লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম জেলার ধরলা ও দুধকুমার নদীসমূহ সতর্ক সীমায় প্রবাহিত হয়ে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

আরএএস/এমআইএইচএস