পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টিতে বান্দরবান-চট্টগ্রাম কেরানীহাট সড়ক পানিতে তলিয়ে এবং বান্দরবান-রাঙ্গামাটি সড়কের ব্রিজঘাটা এলাকায় ব্রিজসংলগ্ন সড়ক ভেঙে যাওয়ায় শনিবার সকাল থেকে জেলার সঙ্গে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
এরপর বৃষ্টি কমলেও বন্যা পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। রবিবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ বন্ধই রয়েছে।
সরেজমিন জেলার বেশ কিছু এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে। তবে, এখনো অনেক সড়ক ও বসতবাড়ি পানির নিচে রয়েছে। পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন প্রায় এক লাখ মানুষ।
এদিকে, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি কিছুটা কমলেও এখনো বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে জেলার সাতটি উপজেলায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দি মানুষের আশ্রয়ের জন্য জেলার সাতটি উপজেলায় মোট ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ইতোমধ্যে ১০ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরতদের জন্য খাদ্য সহায়তা হিসেবে খিচুড়ি ও শুকনো খাবার বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। দুর্যোগ মোকাবেলায় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সমন্বিতভাবে কাজ করছে।








