দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক বাস্তবতায় ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি বাস্তবায়নের পথে বহুমুখী চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ফরেন সার্ভিস একাডেমির রেক্টর রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত।
তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নে দক্ষ, পেশাদার ও দূরদর্শী কূটনীতিকের বিকল্প নেই।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
আরও পড়ুন
জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে পররাষ্ট্রনীতি এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান
রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত বলেন, বর্তমান বিশ্বে ভূ-রাজনৈতিক ও ভূ-অর্থনৈতিক পরিবর্তন, ক্ষমতার ভারসাম্যের রদবদল, নতুন জোট ও অংশীদারত্বের বিকাশ আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে আরও জটিল করে তুলেছে। একই সঙ্গে ফিলিস্তিন, ইউক্রেন, সুদান ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, বাস্তুচ্যুতি, অভিবাসন, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার হুমকি এবং অরাষ্ট্রীয় শক্তির উত্থান বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে।
আরও পড়ুন
রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা ও ‘ভুয়া’ স্লোগান অত্যন্ত দুঃখজনক
তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্য রোহিঙ্গা সংকট, মানবসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রচলিত কূটনৈতিক ধ্যানধারণার পাশাপাশি নতুন, সৃজনশীল ও বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।
রেক্টর আব্দুল মুহিত বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখা, জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশের কূটনীতিকদের ভূমিকা আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার মাধ্যমে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিকে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করতে হবে।
টিটি/কেএসআর








