কসবায় বৃহস্পতিবার ভুয়া প্রবেশপত্র ব্যবহার করে এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করায় একছাত্রী ও তার সহযোগীকে আটক করা হয়েছে। পীরগঞ্জে প্রক্সি দিতে এসে যুবক আটক হয়েছে। মোবাইলে নকলের দায়ে দেওয়ানগঞ্জে ৩ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া শাহরাস্তিতে আলিম পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যুগান্তর প্রতিনিধিরা জানান : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভুয়া প্রবেশপত্র ব্যবহার করে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এক অকৃতকার্য ছাত্রী ও তার সহযোগীকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। বৃহস্পতিবার কসবা তফাজ্জল আলী ডিগ্রি কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। আটকরা হলেন কসবা মহিলা কলেজের অকৃতকার্য শিক্ষার্থী তাসফিয়া রহমান এবং তাকে সহায়তাকারী ফুফাতো ভাই ইনজামুল হক। কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষা শুরুর আগে নিয়মিত প্রবেশপত্র যাচাইয়ের সময় দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের চোখে অসঙ্গতি ধরা পড়ে। মূলত, তাসফিয়া পূর্ববর্তী পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় ফুফাতো ভাইয়ের সহায়তায় এই ভুয়া প্রবেশপত্র তৈরি করে পরীক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে এইচএসসি বাংলা পরীক্ষার হলে মোবাইল নেওয়ায় তিন কেন্দ্রের তিন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃতরা হলেন হাতীভাঙ্গা এমএম কলেজের সোলায়মান মিয়া এবং হাতীভাঙ্গা এবি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের হৃদয় ও দেওয়ানগঞ্জ মহিলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ কেন্দ্রের হানিফ মিয়া। রংপুরের পীরগঞ্জে বদলি (প্রক্সি) পরীক্ষা দিতে এসে এক ভুয়া পরিক্ষার্থী আটক হয়েছে। তাকে এক বছরের সাজা দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধিনে পীরগঞ্জ বিজ্ঞান ও কারিগরি কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি (বিএম) পরীক্ষায় ওই ঘটনা ঘটে। আব্দুস সালাম আকন্দের ছেলে নাজমুল হাসানের পরিবর্তে পরীক্ষা দিতে আসেন শুভ ইসলাম রিয়ন। পরীক্ষা চলাকালে দায়িত্বরত শিক্ষকদের সন্দেহ হলে ওই ছাত্রের পরিচয় যাচাই কালে তাকে ভুয়া হিসাবে শনাক্ত করা হয়। পরে তাকে ১ বছরের বিনাশ্রম সাজা প্রদান করেন আদালত। চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে আলিম পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শাহরাস্তি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে রাগৈ ইসলামীয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মো. ইমাম হোসেনকে ওই শাস্তি দেওয়া হয়।