চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় বিশ্বকাপ ফুটবলের স্পেন বনাম আর্জেন্টিনার মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটির জের ধরে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে এক নারী ও তার কিশোরী মেয়ে গুরুতর আহত হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার পুঁইছড়ি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মওলার পাড়ায় সংঘর্ষ হয়।
আহতরা হলেন ময়রা খাতুন (৫৫) ও তার মেয়ে রাবিয়া খাতুন (১৫)। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ময়রা খাতুনের মাথায় চারটি এবং রাবিয়া খাতুনের মাথায় সাতটি সেলাই দিতে হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাতে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের বিশ্বকাপ ফাইনালকে কেন্দ্র করে স্থানীয় যুবক রাকিবের সঙ্গে অভিযুক্ত মোরশেদুল ইসলামের পক্ষের এক ব্যক্তির কথাকাটাকাটি হয়। এর জের ধরে সোমবার (২০ জুলাই) সকালে মোরশেদুল ইসলাম ও তার ভাই মোহাম্মদ হাবিবের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল রাকিবের বাড়িতে যায়।
অভিযোগ রয়েছে, এ সময় প্রতিবেশীরা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলে হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে ময়রা খাতুন, রাবিয়া খাতুনসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
আহত ময়রা খাতুনের ছেলে মোহাম্মদ রাসেল বলেন, তার মা ও বোন প্রতিবেশীকে রক্ষা করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, অভিযুক্তরা এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় তারা মামলা করতে ভয় পাচ্ছেন। পুলিশকে মৌখিকভাবে বিষয়টি জানানো হলেও মামলা করলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তারা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত মোরশেদুল ইসলাম ও মোহাম্মদ হাবিবের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।








