২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের মাঠে এখন শুধু মেসি-এমবাপের অভিজ্ঞতার লড়াই নয়, তরুণ প্রতিভাদের ঝলকানিতেও জমে উঠেছে টুর্নামেন্ট। বিশ্ব ফুটবলের ভবিষ্যৎ যাদের পায়ে, সেই সাত উদীয়মান তারকা এবারের আসরে নিজেদের নাম সোনালি অক্ষরে লিখতে চান।

স্পেনের লামিনে ইয়ামাল (১৮) এই তালিকার শীর্ষে। বার্সেলোনার এই উইঙ্গারের দ্রুতগতির ড্রিবলিং ও অসাধারণ ভিশন ইতিমধ্যে প্রতিপক্ষের রক্ষণকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, তিনিই এবারের বেস্ট ইয়ং প্লেয়ারের সবচেয়ে বড় দাবিদার।

ব্রাজিলের এন্ড্রিক (১৯) রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে নিজেকে প্রমাণ করছেন। শক্তিশালী ফিনিশিং ও গতি দিয়ে সেলেসাওদের আক্রমণভাগকে নতুন মাত্রা দিতে পারেন তিনি। আইভরি কোস্টের ইয়ান ডিওমান্ডে (১৯) আরেক বিস্ময়। মাত্র কয়েক ম্যাচে তার পারফরম্যান্স দেখে ইউরোপের বড় ক্লাবগুলো চোখ রাখছে।

মেক্সিকোর ১৭ বছরের গিলবার্তো মোরা লিগা এমএক্সের সবচেয়ে তরুণ গোলদাতা হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন। বিশ্বকাপে তার সাহসী খেলা দেশবাসীকে নতুন আশা জাগাচ্ছে। ফ্রান্সের দেসিরে ডুয়ে (২০) পিএসজির হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছেন। তার ক্রিয়েটিভিটি ফ্রান্সের মাঝমাঠকে আরও শক্তিশালী করছে।

মরক্কোর আয়্যুব বুয়াদ্দি (১৮) গ্রুপ পর্বে দারুণ খেলে সবার নজর কেড়েছেন। আর্জেন্টিনার নিকো পাজ (২১) মেসির উত্তরসূরি হিসেবে নিজেকে তুলে ধরছেন মাঠে।

এই সাত তরুণের লড়াই শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, নিজ নিজ দলের স্বপ্ন পূরণেরও। বিশ্বকাপের পর এদের মধ্যে কয়েকজন তারকা বনে যাবেন; এটাই ফুটবলপ্রেমীদের প্রত্যাশা। কে হবেন এবারের আসরের ‘আইকনিক’ উদীয়মান তারকা? সেটা সময়ই বলে দেবে।

আরআই/এমএমআর