গাইবান্ধা বিসিক শিল্পনগরীর নীতিমালা লঙ্ঘন করে কারখানার জন্য নির্ধারিত প্লটে গড়ে উঠেছে একাধিক খাবারের দোকান। শিল্পনগরীর ভেতরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বা খাবারের দোকান পরিচালনার আইনি বৈধতা না থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে এসব দোকান চলছে। এতে বহিরাগতদের আনাগোনা বাড়ায় শিল্পনগরীর নিরাপত্তা ও কাজের পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন কারখানা মালিক ও শ্রমিকেরা।সরেজমিনে দেখা গেছে, গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়কের ধানঘড়া এলাকায় অবস্থিত বিসিক শিল্পনগরীর ভেতরে বেশ কিছু চা, ভাত ও ফাস্টফুডের দোকান রয়েছে। বিসিক কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমোদন ছাড়াই এসব দোকান চলছে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এসব দোকানে শ্রমিকদের পাশাপাশি বহিরাগতদের ভিড় থাকে। বিশেষ করে বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে বহিরাগতদের আড্ডা। এতে কারখানার মালামাল চুরি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ছাড়া দোকানগুলোতে গ্যাস সিলিন্ডার ও উন্মুক্ত চুলা ব্যবহার করায় অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিও বাড়ছে।কারখানা মালিকদের অভিযোগ, একটি কারখানা গড়তে তাদের অনেক আইনি প্রক্রিয়া মানতে হয়। কিন্তু কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই এসব দোকান কীভাবে চলছে, তা নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছেন। এ বিষয়ে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কারখানা মালিক বলেন, ‘শিল্পনগরীর মতো সংবেদনশীল এলাকায় বহিরাগতদের জটলা নিরাপত্তার জন্য হুমকি। আমরা চরম দুশ্চিন্তায় থাকি।’গাইবান্ধা বিসিক শিল্পনগরীর সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) আবদুল্লাহ আল ফেরদৌস বলেন, ‘অভিযোগ ওঠা দোকানগুলো মূলত বিসিকের সীমানার বাইরে। তবে সার্বিক নিরাপত্তা ও পরিবেশের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমরা ইতিমধ্যে পুলিশ ও জেলা প্রশাসনকে অনুরোধ জানিয়েছি।’ \