বাজেটকে ‘জনকল্যাণমুখী’ আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সংসদ-সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ বর্তমান সরকারের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আপনারা গত চার মাসের পত্রিকা খুলে একটি ব্যাংক লুটের খবর দেখাতে পারবেন না। রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় কোনো দুর্নীতি নেই। তাই আমাদের বেনিফিট অব দ্য ডাউট দিন। বাজেট নিয়ে রাজনীতি না করে এটিকে জাতীয় ইস্যু হিসাবে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।
শনিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বিগত সরকারের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ট্র্যাক রেকর্ড গত ১৭ বছর ভালো ছিল না। কারণ তখন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্নীতি হয়েছে। দরবেশ-লুটেরারা কীভাবে দেশ লুট করবে, তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। জনগণকে শুধু ২০ হাজার কোটি টাকার পদ্মা সেতু দেখানো হয়েছে, যা যথেচ্ছা টাকা দিয়ে বানিয়ে একটি অহংকারের প্রতীক হিসাবে দাঁড় করানো হয়েছে। শাহজাহানের তাজমহল যেমন অহংকারের প্রতীক ছিল, এটিও তাই। অথচ তখন মানুষের অধিকার হরণ করা হচ্ছিল।
সামরিক খাতে এক লাখ কোটি টাকা বরাদ্দ করা উচিত : দেশের সামরিক খাতে ৪২ হাজার কোটি টাকা নয়, অন্ততপক্ষে এক লাখ কোটি টাকা বাজেট করা উচিত বলে দাবি করেছেন বিএনপির সংসদ-সদস্য বরকতউল্লাহ বুলু। একই সঙ্গে তিনি গাজীপুর ও সাভারে একটি অত্যাধুনিক নারী শ্রমিক হাসপাতাল করার দাবি জানান। বুলু বলেন, আজকে ইরান পৃথিবীতে একটি মডেল হয়েছে, উত্তর কোরিয়া মডেল হয়েছে। কী কারণে। তারা যদি সামরিক খাতে এই উন্নতি না করতে পারত, তাহলে আজকে ইরানের মানচিত্র থাকত না। আমিও আজকে এই সংসদে সবার কাছে আবেদন রাখব, বাংলাদেশের সামরিক খাতে ৪২ হাজার কোটি টাকা নয়, এক লাখ কোটি টাকা বাজেট করা উচিত।
ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়া যায় না : বিরোধী দলের সমালোচনা ও বিশাল আকারের বাজেট প্রসঙ্গে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সবাই বেহেশতে যেতে চায়, কিন্তু কেউ মরতে চায় না। সবাই এলাকায় উন্নয়ন চান, কিন্তু বলেন বাজেট অনেক বেশি হয়ে গেছে। যদি উন্নয়ন চান, বাজেট বরাদ্দ তো বেশি হতেই হবে। বাসায় আপনি যদি ডাল-ভাতের বাজেট করেন, আর খেতে চান বিরিয়ানি-সেটা তো চলবে না।








