দ্বীনের ওপর অটল থাকতে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনার জন্য কোরআনে বর্ণিত এই দোয়াটি পড়ুন:
رَبَّنَا لَا تُزِغۡ قُلُوۡبَنَا بَعۡدَ اِذۡ هَدَیۡتَنَا وَ هَبۡ لَنَا مِنۡ لَّدُنۡکَ رَحۡمَۃً اِنَّکَ اَنۡتَ الۡوَهَّابُ
উচ্চারণ: রাব্বানা লা তুযিগ কুলুবানা বা’দা ইজ হাদাইতানা ওয়া হাবলানা মিন লাদুনকা রাহমাতান ইন্নাকা আনতাল ওয়াহহাব।
অর্থ: হে আমাদের রব, আপনি হেদায়াত দেওয়ার পর আমাদের অন্তরসমূহ বক্র করবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন। নিশ্চয় আপনি মহাদাতা। (সুরা আলে ইমরান: ৮)
হাদিসে বর্ণিত এই দোয়াটিও পড়ুন:
يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ
উচ্চারণ: ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুবি সাব্বিত কালবি আলা দ্বীনিক।
অর্থ: হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের ওপর অটল রাখুন।
আনাস ইবনে মালেক (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) অধিকাংশ সময় এই দোয়াটি পড়তেন। (সুনানে তিরমিজি: ২১৪০)
আল্লাহর তাআলার দয়া ও তওফিক ছাড়া কেউ তাঁর দ্বীন গ্রহণ করতে পারে না, দ্বীনের ওপর অবিচলও থাকতে পারে না। আল্লাহ তাআলা দয়া করে যাদেরকে ইচ্ছা সঠিক পথ প্রদর্শন করেন, সঠিক পথে অবিচল থাকার তওফিক দান করেন, আবার অনেককে আল্লাহ তাআলা পথভ্রষ্ট করেন অর্থাৎ তারা নিজেদের দম্ভ, অহমিকা জুলুম ও পাপাচারের কারণে আল্লাহর অনুগ্রহ ও হেদায়াতের তওফিক থেকে বঞ্চিত হয়ে যায়।
আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি প্রত্যেক রাসুলকে তার জাতির ভাষাতেই পাঠিয়েছি, যাতে সে তাদের কাছে বর্ণনা দেয়; তারপর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সঠিক পথ দেখান। আর তিনি পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়। (সুরা ইবরাহিম: ৪)
আরেক আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, আল্লাহ যাকে হেদায়াত করতে চান তার বক্ষ ইসলামের জন্য প্রশস্ত করে দেন। আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করতে চান তার বক্ষকে সংকীর্ণ-সংকুচিত করে দেন; যেন সে আকাশে-ঊর্ধ্বে আরোহণ করছে। এভাবেই আল্লাহ অকল্যাণ দেন তাদের উপর যারা ইমান আনে না। (সুরা আনআম: ১২৫)
তাই আল্লাহ তাআলার কাছে সব সময় হেদায়াত এবং হেদায়াতের ওপর অবিচলতার জন্য দোয়া করা উচিত, পথভ্রষ্টতা থেকে আশ্রয়ের জন্য দোয়া করা উচিত।
ওএফএফ








