বাংলা বর্ষপঞ্জিকা অনুযায়ী প্রকৃতিতে আষাঢ় তথা বর্ষঋতু চলছে। আষাঢ় মাস হওয়ায় প্রায় প্রতিদিনই দেশের কোথায় না কোথাও বৃষ্টিপাত হচ্ছে। অনিয়নিয়ন্ত্রিত বৃষ্টিপাত ও যত্রতত্র জলাবদ্ধতার কারণে এডিসশ মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে। উপযুক্ত পরিবেশের কারণে এডিস মশার বংশবিস্তার বাড়ছে। ডেঙ্গুর এই ঊর্ধ্বমুখী ধারায় বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ১৯৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুজ্বর আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৫ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৮ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৩১ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৩ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচজন রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪৮ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এ যাবত মোট পাঁচ হাজার ৬৭ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের ২৫ জুন সকাল পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন পাঁচ হাজার ৫১৫ জন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক তিন শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ দশমিক চার শতাংশ নারী রয়েছেন।