ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। তার ব্যক্তিগত ম্যানেজার অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায় ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছেন, অভিযুক্তের ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তার কোনো ধারণা ছিল না। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে তার সঙ্গে আর কোনো ধরনের পেশাগত সম্পর্ক রাখবেন না বলেও স্পষ্ট করেছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আজ (১৩ জুলাই) হাওড়ার ষষ্ঠীতলা এলাকা থেকে অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে হাওড়া আদালতে হাজির করা হলে আদালত ১৪ দিনের জেলহাজতের নির্দেশ দেন। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণসহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা হয়েছে।

ঘটনার পর ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে শ্রাবন্তী লিখেছেন, ‘২০২৪ সাল থেকে অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার পরিচয়। “ট্যালেন্টওয়ালা” নামের একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা আমার বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও দৈনন্দিন কাজের সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিল। সম্প্রতি জানতে পেরেছি, এই ব্যক্তি একটি অপরাধমূলক ঘটনার সঙ্গে জড়িত। খবরটি আমাকে অত্যন্ত অস্বস্তিতে ফেলেছে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘অর্ঘ্যের ব্যক্তিগত জীবন বা কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আমি কিছুই জানতাম না। তবে এই ঘটনার পর আগামী দিনে তার সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত থাকতে চাই না। বিষয়টি আমি সংশ্লিষ্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকেও জানিয়ে দিয়েছি।’

আরও পড়ুন

কোন দেশে হানিমুনে গেলেন আমির খান ও গৌরি, সঙ্গে দুই ছেলে

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগকারী নারীও একই ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১২ এপ্রিল একটি কাজের সূত্রে তিনি অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এরপর গত ১২ জুন চ্যাটার্জিহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই নারী। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে রোববার অর্ঘ্যকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক ১৪ দিনের জেলহাজতের নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন

অন্তঃসত্ত্বা দীপিকার মধ্যরাতের ভিডিও, নেটদুনিয়ায় আলোচনা

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা শুরু হয়। এর মধ্যেই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে শ্রাবন্তী জানান, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই এবং ভবিষ্যতেও তিনি অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে কোনো ধরনের পেশাগত সম্পর্ক বজায় রাখবেন না।

এমএমএফ