এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (এআইআইবি) অর্থায়নে ঢাকা-চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, ঢাকা ইস্ট-ওয়েস্ট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, সাবওয়ে ও দ্বিতীয় যমুনা সেতুসহ কয়েকটি বড় অবকাঠামো প্রকল্পে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
আজ রোববার সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফের সঙ্গে এআইআইবির চার সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। পরে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এআইআইবির পাবলিক সেক্টর ক্লায়েন্টস ডিপার্টমেন্ট (অঞ্চল-১)-এর মহাপরিচালক রজত মিশ্র প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের পরিবহন ও যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে টেকসই বিনিয়োগ ও কারিগরি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ করে যানজট নিরসন, আধুনিক টোল ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর অবকাঠামো উন্নয়নে এআইআইবির সম্ভাব্য অর্থায়ন নিয়ে উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে।
সেতু বিভাগের সচিব বলেন, ঋণের শর্ত যেন বাংলাদেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও টেকসই হয়, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বজায় রেখে প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের অঙ্গীকারের কথাও তুলে ধরেন।
এআইআইবির মহাপরিচালক রজত মিশ্র বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নের অগ্রগতির প্রশংসা করে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় উদীয়মান অর্থনীতি হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহী এআইআইবি।
বৈঠকে বিনিয়োগের শর্ত ও সম্ভাব্য খাত নিয়ে এআইআইবিকে একটি আনুষ্ঠানিক লিখিত প্রস্তাব দিতে অনুরোধ করা হয়। সেই প্রস্তাব পর্যালোচনার পর সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।








