বর্ষা উপভোগ করতে গিয়ে নিরাপত্তার বিষয়টাকে কিন্তু অবহেলা করা যাবে না; বরং অন্য সময়ের চেয়ে সতর্ক থাকতে হবে আরও বেশি। এ সময় ভ্রমণে নিচের বিষয়গুলো মাথায় রাখুন।

যাত্রার আগে

  • ভারী বৃষ্টি, ভূমিধস, বন্যা বা বৈরী আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে তবেই ভ্রমণের পরিকল্পনা করুন।

  • রেইনকোট বা ছাতার পাশাপাশি অতিরিক্ত শুকনা কাপড় রাখুন। দ্রুত শুকিয়ে যায়, এমন পোশাক নিন।

  • প্যারাসিটামলসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে রাখুন।

  • রাতে থাকার জায়গায় মশারির ব্যবস্থা আছে কি না, আগে থেকেই নিশ্চিত হন। প্রয়োজনে মসকিউটো রিপেলেন্ট বা মশা তাড়ানোর ক্রিম ব্যাগে নিন।

পাহাড় ও জলপ্রপাতে

  • পাহাড়ি পথে হাঁটার জন্য ভালো গ্রিপযুক্ত, পানি ও পাথুরে পথে চলার উপযোগী জুতা পরুন।

  • দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গেলে অবশ্যই স্থানীয় অভিজ্ঞ গাইড সঙ্গে নিন এবং তাঁর নির্দেশনা মেনে চলুন।

  • বর্ষায় জলপ্রপাতের আশপাশের পাথর ও ঢাল খুবই পিচ্ছিল থাকে। ঢাল বেয়ে ওপরে ওঠার চেষ্টা করবেন না। সামান্য অসতর্কতায় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা।

  • জলপ্রপাতের নিচের কূপ নিরাপদ মনে হলেও সেখানে গভীরতা বা স্রোত থাকতে পারে। সাঁতার না জানলে কোনো অবস্থাতেই পানিতে নামবেন না।

  • বর্ষায় পাহাড়ি এলাকায় জোঁক থাকাটাই স্বাভাবিক। সম্ভব হলে মোজার ভেতরে প্যান্ট বা পায়জামা গুঁজে রাখুন। তবে ঝিরিপথে হাঁটার সময় এটি সব সময় সম্ভব না–ও হতে পারে।

  • জোঁকে ধরলে জোর করে টানবেন না। শক্ত কাগজের সাহায্যে আলতোভাবে সরিয়ে ফেলুন।

বর্ষায় প্রাণ ফিরে পাওয়া পাহাড়ে

সমুদ্রে ভ্রমণ

  • সমুদ্রে নামার আগে জোয়ার-ভাটা ও আবহাওয়ার বর্তমান অবস্থা জেনে নিন।

  • সৈকতে লাল নিশান টাঙানো এলাকায় কখনো গোসল করবেন না।

  • সাঁতার না জানলে অবশ্যই লাইফ জ্যাকেট পরুন এবং লাইফগার্ডের নির্দেশনা মেনে চলুন।

হাওরে ভ্রমণ

  • যেকোনো হাওর এলাকায় যাওয়ার আগে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা জেনে নিন।

  • হাউসবোটে পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট আছে কি না, নিশ্চিত করুন।

শ্রীমঙ্গলের এই রিসোর্টে কোনো টিভি নেই কেন