২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। এই জয়ে দলের অন্যতম নায়ক ছিলেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি তিনি গড়েছেন একটি ব্যতিক্রমী রেকর্ড, যা আবারও তাকে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে তুলনার আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট সোফাস্কোর-এর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে মেসি ৯টি সফল ড্রিবল সম্পন্ন করেন। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এই এক ম্যাচেই তিনি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর শেষ চারটি বিশ্বকাপে করা মোট সফল ড্রিবলের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছেন।

একই সময়ে অনুষ্ঠিত শেষ চারটি বিশ্বকাপে (২০১৪, ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬) রোনালদো মোট ৮টি সফল ড্রিবল করেছিলেন। আর মেসি শুধু ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই করেছেন ৯টি সফল ড্রিবল।

এটাই অবশ্য এই বিশ্বকাপে রোনালদোর ওপর মেসির একমাত্র পরিসংখ্যানগত শ্রেষ্ঠত্ব নয়। গোলে অবদানেও আর্জেন্টাইন অধিনায়ক এগিয়ে আছেন। এখন পর্যন্ত এই বিশ্বকাপে মেসির ঝুলিতে রয়েছে ৮টি গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট।

অন্যদিকে, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর জন্য ২০২৬ বিশ্বকাপ ছিল হতাশার। পুরো টুর্নামেন্টে তিনি প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেননি। শেষ ষোলোতে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিদায় নেয় পর্তুগাল। সেই স্পেনই এখন ফাইনালে মেসির আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ।

৩৯ বছর বয়সেও মেসির ড্রিবলিং, সৃজনশীলতা ও ম্যাচে প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতা ফুটবলপ্রেমীদের মুগ্ধ করছে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তার পারফরম্যান্স বিশ্বকাপ ইতিহাসে আরেকটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকলো।

আরআর/এমএমআর