রাজনৈতিক দলগুলোর সব স্তরে নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ ও সমতাভিত্তিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে ৮ দফা সুপারিশ করেছে নাগরিক সমাজ। এসব সুপারিশের মধ্যে রাজনৈতিক দলের কমিটিতে নারী কোটা পূরণ এবং স্থানীয় সরকারে অন্তত এক-তৃতীয়াংশ আসনে নারীদের সরাসরি নির্বাচনের বিধান রাখার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ওয়েভ ফাউন্ডেশন ও অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক জাতীয় সিম্পোজিয়ামে এসব সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

ওয়েভ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলীর সভাপতিত্বে এতে বক্তৃতা করেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম, সংসদ-সদস্য রাশেদা বেগম হীরা, সংসদ-সদস্য নুসরাত তাবাসসুম, সংসদ-সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি; নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ ও উপ-সচিব শাহ আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সুপারিশ উপস্থাপন করেন ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক রুমানা রুমা।

সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে-গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ এর ৯০(খ) ধারা অনুযায়ী প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় ও জেলাভিত্তিক সব কমিটিতে নিয়মিতভাবে নারীদের জন্য নির্ধারিত কোটা পূরণ করা এবং তার অগ্রগতি জনসমক্ষে প্রকাশ করা।

সর্বস্তরে নারীর প্রতি সব ধরনের সহিংসতা, যৌন হয়রানি, ভীতি প্রদর্শন এবং চরিত্র হনন প্রতিরোধে রাজনৈতিক দল ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কঠোর ভূমিকা পালন। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকারের সব স্তরে সাধারণ আসনের অন্তত এক-তৃতীয়াংশ নারীর জন্য সংরক্ষণ করে সেখানে সরাসরি নির্বাচনের বিধান।

মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, দেশে নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, প্রতিনিধিত্ব ও নেতৃত্ব বিকাশ নিশ্চিতে নির্বাচন কমিশনসহ রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম সবার সমন্বিত প্রচেষ্টা দরকার।

আখতার আহমেদ বলেন, আরপিও বাস্তবায়নের দায়িত্ব এককভাবে নির্বাচন কমিশনের নয়। এক্ষেত্রে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর দায়িত্ব অনেক বেশি।