ঝালকাঠি শহরের গাবখান নদীর তীব্র ভাঙনে নদীতীরবর্তী অর্ধশতাধিক পরিবার ও মৌলভী বাড়ি জামে মসজিদ হুমকির মুখে পড়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ এবং স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর পৌর শহরের গাবখান ব্রিজের উত্তর পাশে কেফাইতনগর এলাকায় মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়। নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিতে থাকা পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশ নেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, নদীতীর থেকে পার্শ্ববর্তী নগর খাল পর্যন্ত প্রায় ৩০০ মিটার এলাকাজুড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন নদীর পাড় ভেঙে বসতভিটার দিকে পানি এগিয়ে আসছে। দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নিলে ঘরবাড়ি, মসজিদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এতে বহু পরিবার বসতভিটা হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মো. আককাস সিকদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান তাপু, সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা হাফেজ মো. কাওছার, সাবেক কাউন্সিলর মো. শাহ আলম খান ফারসু এবং মৌলভী বাড়ি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মাসউদুর রহমানসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

বক্তারা নদীতীর সংরক্ষণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানান। গাবখান নদীর ভাঙন রোধে দ্রুত উদ্যোগ নিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দারের সহযোগিতা কামনা করেন তাঁরা।