গভীর রাতেও ক্যাম্পাসে ফুটবলপ্রেমীদের উপচে পড়া ভিড়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। কারও গায়ে প্রিয় দলের জার্সি, কারও হাতে জাতীয় পতাকা, আবার কেউ বাঁশি বাজাচ্ছেন। গভীর রাতেও যেন উৎসবের আমেজে মুখর পুরো এলাকা।

বন্ধুদের সঙ্গে খেলা দেখতে টিএসসিতে এসেছেন ইমরুল হাসান। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, বিশ্বকাপের ফাইনাল বড় পর্দায় এত মানুষের সঙ্গে দেখার অনুভূতি অন্যরকম। তাই বাসায় না থেকে বন্ধুদের নিয়ে এখানে চলে এসেছি। খেলার প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করছি।

ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬ ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে গভীর রাতেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে ছিল উৎসবের আমেজ। টিএসসি, হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হলের মাঠ, রাজু ভাস্কর্য, স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে বড় পর্দায় খেলা দেখতে হাজারো ফুটবলপ্রেমীর সমাগম ঘটে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের উপস্থিতিও বাড়তে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ফুটবলপ্রেমীরাও ক্যাম্পাসে ভিড় করেন।

রোববার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাতে সরেজমিনে দেখা যায়, টিএসসির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ খেলা শুরুর আগেই দর্শকে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। কেউ বন্ধুদের সঙ্গে, কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে, আবার কেউ প্রিয় দলের জার্সি ও পতাকা হাতে বড় পর্দার সামনে অবস্থান নেন।

দেখা যায়, টিএসসির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে দর্শকদের ঢল নেমেছে। বড় পর্দার সামনে বসার জায়গা না পেয়ে অনেকে দাঁড়িয়ে খেলা দেখেছেন। কেউ মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেছেন, কেউ আবার প্রিয় দলের পক্ষে স্লোগান দিয়েছেন।

দর্শকদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি প্রাক্তন শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ফুটবলপ্রেমীদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। অনেকেই জার্সি, পতাকা, মুখে দলের রং এবং নানা ধরনের সমর্থনসূচক সামগ্রী নিয়ে টিএসসিতে জড়ো হন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বলেন, গভীর রাত হলেও মানুষের আগ্রহ একটুও কমেনি। খেলার প্রতিটি আক্রমণ, প্রতিটি সুযোগে পুরো টিএসসি একসঙ্গে চিৎকার করে উঠছে।