ডিবি পুলিশের হাতে আটক হয়ে কারাগারে যাওয়ার পরদিনই মৃত্যু হয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নুরুল আলমের। সুস্থসবল মানুষটি কারাগারে যাওয়ার পরদিনই কীভাবে মারা গেলো, সেই প্রশ্ন তুলেছে তার পরিবার।

চট্টগ্রামে গত ২৩শে জুন আটক হয়েছিলেন নুরুল আলম। পরদিন ২৪শে জুন তার মৃত্যুর পর আলোচনা- সমালোচনা শুরু হয়।

তার বড় ভাই নূর মোহাম্মদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, এই মৃত্যু অস্বাভাবিক। ভাইয়ের মৃত্যুর পেছনে দুটি কারণকে সন্দেহ করছেন তিনি।

"একটা হচ্ছে পলিটিক্যাল, আরেকটা হচ্ছে জায়গা সম্পত্তির বিরোধ। যেকোনো একটা দ্বন্দ্বের ভেতর দিয়ে আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে এইটাই আমাদের অভিযোগ।"

তবে কারা কর্তৃপক্ষের দাবি, চট্টগ্রাম কারাগারে তাকে সুস্থ অবস্থায় গ্রহণ করা হয়েছিল এবং শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। জেলে যাওয়া পরদিন সকালে নাস্তা করার পর অসুস্থ বোধ করলে একজন বন্দির সঙ্গে হেঁটেই কারা হাসপাতালে গিয়েছিলেন নূরুল আলম।

বিষয়টি তদন্ত করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা করছে বলেও জানিয়েছে কারা অধিদপ্তর।

তবে নুরুল আলমের মৃত্যুই এ ধরনের একমাত্র ঘটনা নয়।

২১শে জুন ফরিদপুরের মধুখালীতে ইশতিয়াক আহম্মেদ প্রান্ত নামে একজনকে ডিবি পুলিশ আটকের পরদিনই তার মৃত্যু হয়।

End of সর্বাধিক পঠিত

মানবাধিকার সংগঠনের হিসাব অনুযায়ী, এ বছর প্রথম ছয় মাসে পুলিশ হেফাজতে চারজনের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে, আর এই সময়ে কারা হেফাজতে অন্তত ৬১ জন মারা গেছেন।

বিশেষ করে, ২০২৪ সালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মী, সাবেক এমপি-মন্ত্রী কারাগারে অস্বাভাবিক মৃত্যুর শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের পতনের আগেও এধরনের মৃত্যুর অভিযোগ অহরহই উঠতে দেখা গেছে এবং প্রধানত, ক্ষমতাসীনদের বিরোধীরাই সবসময় কারাগার ও পুলিশ হেফাজতে অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ তুলে আসছেন।

এসব মৃত্যুর ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশের কারাগারগুলোতে বন্দিদের চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ কতটা আছে, সে নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল ফলো করতে এখানে ক্লিক/ট্যাপ করুন

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা বিএনপি সরকারের সময় প্রথম পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগ এসেছে ফরিদপুরে ২১শে জুন।

ডিবি পুলিশের হাতে আটক ইশতিয়াক আহম্মেদ প্রান্ত কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে।

প্রান্তর মায়ের দাবি, আটকের পর যোগাযোগ-দেনদরবার করে প্রান্তকে ছাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়ে শেষপর্যন্ত আর প্রান্তকে ছাড়তে রাজি হয়নি পুলিশ।

"তাকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গেছে। সবার সামনে মারছে। সবাই দেখেছে। তারা বলছে- ও নির্দোষ, ছেড়ে দেন। কারো কথা শোনে নাই," বলেন প্রান্তর মা খাদিজা আক্তার নিপা।

প্রান্তর মৃত্যুর পর বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী আধাঘণ্টার মত মধুখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করেছিল বলেও তিনি জানান।

প্রান্তর বিরুদ্ধে মামলার এজাহারে তাকে রাতে আটক এবং প্যান্টের পকেট থেকে ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধারের কথা উল্লেখ করে পুলিশ। তবে ২০শে জুন বাড়ির সামনে থেকে আটকের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে দিনের বেলায় লুঙ্গি পরা অবস্থায় সাদা পোশাকে তাকে ধরতে দেখা যায়।

এ ব্যাপারে ফরিদপুর পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে জানান, অভিযানের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

End of বিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন:

ছবির উৎস, PRITHIBI

"আমি ঘটনার পরপরই ডিবির যে ইন্সপেক্টর ছিলেন, ওসি, ডিবিসহ আভিযানের টিমে যারা ছিলেন, তাদের সবাইকে প্রত্যাহার করে নিয়েছি এবং তাদের নতুন করে আর দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। আমরা একটি ইনকোয়ারি কমিটি করে দিয়েছি এবং আমি আশ্বস্ত করতে পারি একটি স্বচ্ছ ইনকোয়ারি হবে, ইমপারশিয়াল হবে। তদন্তে যে বিষয়টা আসবে, আমরা সেভাবে ব্যবস্থা নেব," বলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার।

ওই ঘটনার দুই দিন পরেই চট্টগ্রাম কারাগারে নুরুল আলমের মৃত্যুকে ঘিরেও প্রশ্ন উঠেছে।

"অ্যারেস্ট হওয়ার পরে ডক্টরের উপস্থিতিতে ওনার পুরো চেকআপ হয়। তার কোনো কমপ্লিকেশন ছিল না, কোনো ইনজুরিও ছিল না। হি ওয়াজ ফ্রেশ। উনি রাতে থেকেছেন এবং পরবর্তী দিনে উনি ব্রেকফাস্ট করেছেন নরমাল বন্দির মতোই ছিলেন," বলেন কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোতাহের হোসেন।

তিনি আরো জানান, "যখন কেইস টেবিলে আসেন, তখন জেলারকে উনি কমপ্লেইন করেছেন ওনার খারাপ লাগছে। তৎক্ষণাৎ ওনাকে আমাদের হসপিটালে নেই। উনি কিন্তু নিজে হেঁটেই গিয়েছেন। পরে যখন আরো অস্বস্তি বোধ করেছেন, চট্টগ্রাম মেডিকেলে নেওয়ার পরেই ডক্টর বলেছেন উনি ডেড। ফরেনসিক পরীক্ষা চলছে। আমরা রিপোর্ট পাইনি। সম্ভবত সিভিয়ার হার্ট অ্যাটাক।"

'অস্বাভাবিক মৃত্যু'- ভুক্তভোগীর পরিবারের এমন সন্দেহ প্রসঙ্গে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোতাহের হোসেন বলেন, বন্দির ভাই গিয়েছেন ঘটনার পরে। যারা বন্দির সাথে ছিলেন তাদের সাথে কথা বলেছেন।

"(নুরুল আলম) রাতে এসেছেন, সকাল বেলায় ঘটনা ঘটেছে। রাতে কিন্তু আমাদের সব বন্দিরা লকাপে থাকেন। অন্য কিছুর সুযোগ নেই। ... যে অভিযোগটা হয়েছে যে অত্যাচার করা হয়েছে, এটা সম্ভবত সঠিক নয়। তারপরও ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছি, তাহলে মৃত্যুর সঠিক কারণটা পাওয়া যাবে।"

বাংলাদেশে সব সরকারের আমলেই কারাগারে ও পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু নিয়ে দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে।

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের এক হিসেবে এ বছর ছয় মাসে কারা হেফাজতে অন্তত ৬১ জনের এবং পুলিশ হেফাজতে চারজনের মৃত্যুর তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

২০২৫ সালে কারাগারে ১১৬ জন এবং পুলিশ হেফাজতে অন্তত ১১ জনের মৃত্যুর হিসাব আছে সংগঠনটির।

আরেকটি সংগঠন মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের হিসেবে, ২০২১-২০২৬ পর্যন্ত ছয় বছরে বাংলাদেশে কারা হেফাজতে ৫৪২ জন এবং পুলিশ হেফাজতে ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

End of বিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন:

মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) নির্বাহী পরিচালক মো. সাইদুর রহমান বিবিসি বাংলাকে বলেন, বাংলাদেশে জুলাই অভ্যুত্থানের পর কারাগার ও পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু বন্ধ হবে- এমন একটি প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু বাস্তবতা হলো এটা বন্ধ হয়নি।

"খুবই দুঃখজনক, এসব জিনিস আমরা ৫ই আগস্ট পরবর্তীতে আশা করি না। কারাগার ও পুলিশ সিস্টেমে কোনো চেঞ্জ হয়নি। একটুও না। চব্বিশের আগেও যা ছিল পুলিশ সিস্টেম, এখনো সেইম। পুলিশ হেফাজতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে, কারা হেফাজতে মৃত্যু তদন্ত করবে মানবাধিকার কমিশন; কিন্তু মানবাধিকার কমিশন এখনো গঠনই হয় নাই।"

মি. রহমান বলেন, নির্বাচিত নতুন সরকারের সময়কালে তাদের পরিসংখ্যান অনুযায়ী কারাগারে মৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে কমেনি, তবে পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যা অনেকটা কমেছে।

পুলিশ বা কারা হেফাজতে মৃত্যু ঘটনায় বন্দিদের চিকিৎসা সুবিধা দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন সামনে আসে। এ বিষয়ে সংকটের কথা স্বীকার করছে কারা কর্তৃপক্ষই।

বাংলাদেশের চুয়াত্তরটি কারাগারে সার্বক্ষণিক দেড়শ চিকিৎসকের পদ থাকলেও এসব পদে মাত্র দুইজন ডাক্তার রয়েছেন; দেশটির অর্ধশতাধিক কারাগারে বন্দি রোগী পরিবহনে কোনো অ্যাম্বুলেন্স নেই; দুইশ সজ্জার কারা হাসপাতালের জন্য প্রায় এক দশক আগে রোগ নির্ণয়সহ উন্নত চিকিৎসার আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনা হলেও লোকবল না থাকায় সেগুলো কখনো খোলা হয়নি বলে জানাচ্ছে কারা অধিদপ্তর।

কারাগারে বন্দিদের সুচিকিৎসার সংকট, অবহেলা এবং কারা হেফাজতে মৃত্যুর নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বিবিসি বাংলাকে কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোতাহের হোসেন বলেন, "আমাদের অনেক কারাগারে অ্যাম্বুলেন্স নেই। আমরা হয়তো অন্যান্য বাহনের মাধ্যমে নিচ্ছি।"

"ধরেন, একটা এমার্জেন্সিতে অ্যাম্বুলেন্স থাকলে তাকে যে হেল্প করা যায়, একটা গাড়ি অথবা পিকআপ অথবা জিপ দিয়ে কিন্তু কোনোভাবেই ওই ফ্যাসিলিটিটা দেওয়া যায় না। এটাও কিন্তু একটা বড় সমস্যা।"

কারা অধিদপ্তরের হিসেবে, গত ছয় মাসে বাংলাদেশের কারাগারগুলোয় ১২৯ জন বন্দির মৃত্যু হয়েছে; এরমধ্যে ৭৪ জনকে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তাদের মৃত্যু হয়।

বাংলাদেশে কারাগারগুলোয় চিকিৎসা সেবার সংকট, অবহেলা এবং এমারজেন্সি বা জরুরি চিকিৎসার মারাত্মক ঘাটতির অভিযোগ আছে।

কয়েকমাস কারাভোগ করা একজন নারী বিবিসি বাংলাকে বলেন, তিনি থাকাকালীন কারাগারে দুজন বন্দির মৃত্যু দেখেছেন, যারা তার দৃষ্টিতে সুচিকিৎসা পাননি।

নিজের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, বন্দি অবস্থায় সুচিকিৎসার অভাব ও অবহেলার কারণে তারও অকাল গর্ভপাত হয়েছে। তার অভিযোগ, কারাগারে বিনা বিচারে আটক অনেকেই সুচিকিৎসা পাচ্ছেন না।

"আমার হাই প্রেসার ছিল, খেতে পারছিলাম না, সুগার বেশি ছিল। বারবার বলছিলাম কেউ পাত্তাই দিচ্ছিল না। আমার বাচ্চা কয়টা- এসব বলে ইয়ার্কি মারতেছিল মনে হয় তারা। যাই হোক, বের হয়ে আসতে না পারলে আমি মনে হয় মারা যেতাম। খুব অবহেলা, একটা মেয়ে মারা গেছে মেয়েটার অবস্থা এত খারাপ ছিল। একটা ডিউটি ডক্টর থাকে না চব্বিশ ঘণ্টা। কেউ যদি মারা যায় তখন কী হবে! যেমন আমাদের পাশেই একজন বয়স্ক মহিলা ছিল ভাত খাচ্ছিল, উনি ভাত খাওয়া অবস্থায় মারা গেছেন।"

বন্দিদের চিকিৎসায় অবহেলা নয়, বরং সীমাবদ্ধতা আছে- এমনটা দাবি করে কারা অধিদপ্তর।

কারা মহাপরিদর্শক বলেন, কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। যেমন ডক্টরদের একটা ঘাটতি আছে। উনারা কিন্তু দিনের বেলায় এসে রোগী দেখে চলে যান। ২৪ ঘণ্টা সেবা দেন না।

তবে কারাগারে আসার পর বন্দিদের একটা মেডিকেল চেকাপ হয়; কোনোরকমের আঘাত বা অসুস্থতা আছে কি না- তা চেক করা হয় বলে তিনি জানান।

বর্তমানে কারাগারগুলোর মধ্যে শুধু রাজশাহী এবং মানিকগঞ্জ জেলা কারাগারে সার্বক্ষণিক চিকিৎসক রয়েছে; বাকি ৭২টি কারাগারে সাময়িক অ্যাটাচমেন্টে থাকা ১০১ জন চিকিৎসক দিনের নির্দিষ্ট সময় আসেন।

"রাতে যদি ডক্টর না থাকেন ওই সময় ডক্টর পাওয়া সম্ভব হয় না। বাসা থাকলে কিন্তু উনি থাকতেন এবং রাতেও রেসপন্ড করতেন। রাতে যখন এমার্জেন্সিগুলো হয়, তখন কিন্তু আমাদের ফার্মাসিস্ট, ডিপ্লোমা নার্স তাদের মাধ্যমে কিন্তু আমাদের ডিল করতে হয়। হাসপাতালে নিতেও সময় লাগে।"

কারা মহাপরিদর্শক বলেন, তারা প্রায় দুই বছরে এই বিষয়টা সমাধান করার জন্য মন্ত্রণালয় পর্যায়ে, স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তর পর্যায়ে কাজ করেও সমাধান করতে পারেননি।

কারাগারে রোগ নির্ণয় ব্যবস্থা নেই বলেও অভিযোগ আছে, যেটি কারা অধিদপপ্তরের বক্তব্যেও উঠে এসেছে।

কারা মহাপরিদর্শক বলেন, মেশিন কেনা হয়েছে, কিন্তু লোকবল না থাকায় সেগুলো পড়ে আছে বছরের পর বছর।

"আমাদের কাশিমপুরে দুইশ বেডের কারা হসপিটাল আছে, ওখানে হসপিটাল চালানোর জন্য সকল মেশিন দেওয়া আছে। কিন্তু অলমোস্ট দশ বছর ধরে ওই মেশিন কিন্তু খোলাই হয়নি। বিকজ আমি খুলে কী করবো? আমার তো লোক নেই। ওটি মেশিন, এক্সরে মেশিন, অত্যাধুনিক সব মেশিন রয়েছে; কিন্তু আমরা চালাতে পারছি না। কারণ ওই জনবল আমাদের নাই"।

চট্টগ্রাম কারা হাসপাতালেও প্রায় এক দশক আগে একটি এক্সরে মেশিন কেনার পরও সেটি কোনোদিন চালু করা হয়নি বলে জানান কারা মহাপরিদর্শক।

"টাকা খরচ করেই এটা কেনা হয়েছে, কিন্তু জনবল না থাকার কারণে এটা চালু করা যায়নি।"

ছবির কপিরাইট

© 2026 বিবিসি। বাইরের কোন সাইটের তথ্যের জন্য বিবিসি দায়বদ্ধ নয়। বাইরের লিংক সম্পর্কে বিবিসির দৃষ্টিভঙ্গি সম্বন্ধে পড়ুন।