রাজধানীর কদমতলীতে বিড়াল ছানা ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আব্দুল্যাহ (১২) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার শনিরআখড়ার জিয়া সরণির পলাশপুর ১ নম্বর সড়কের ৫৪ নম্বর বাড়ির ছাদে এ ঘটনা ঘটে। আব্দুল্যাহ পলাশপুর আইডিয়াল স্কুলের ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পরিবারের সঙ্গে সে পলাশপুর রেনেসাঁ স্কুল গলির ষষ্ঠতলায় ভাড়া বাসায় থাকত। গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠি সদর থানার মনকশা গ্রামে। তার বাবার নাম সুমন ও মা সীমা আক্তার। এদিকে মোহাম্মদপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের প্রাণহানি হয়েছে। আব্দুল্যার বাবা সুমন বলেন, সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে আমার ছেলে ১৬ টাকা নিয়ে অন্যান্য দিনের মতো ঘর থেকে বের হয়ে যায়। বেলা আনুমানিক ৩টায় এক পরিচিত নারী এসে বলে আপনার ছেলে আব্দুল্যাহ আর নেই। আমি, আমার স্ত্রী এবং পরিবারের লোকজন গিয়ে দেখি ছেলের মাথা জিয়া সরণি সড়কে এবং দেহ বাড়ির ছাদের উপর বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে আছে। পরে পুলিশ ও দমকল কর্মীরা এসে মাথা ও দেহ উদ্ধার করে।
কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আশরাফুজ্জামান বলেন, স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে জানতে পারি, আব্দুল্যাহসহ তিন শিশু বাড়ির ছাদে উঠে বিড়াল ছানা ধরতে যায়। এ সময় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে শরীর থেকে শিশুটির মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে জিয়া সরণিতে পড়ে এবং দেহটি তারে জড়িয়ে থাকে। পরে দমকল কর্মীদের মাধ্যমে তার দেহটি নামানো হয়। লিখিত অনুরোধের কারণে লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় কদমতলী থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা হয়েছে।
মোহাম্মদপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যু : রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান শপিং কমপ্লেক্সের নিচতলায় বৈদ্যুতিক ওয়ারিংয়ের কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক ইলেকট্রিশিয়ান ও এক দারোয়ানের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার রাত ১টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন মোহাম্মদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রকিবুজ্জামান তালুকদার। নিহতরা হলেন ইলেকট্রিশিয়ান দেলোয়ার হোসেন এবং ভবনটির দারোয়ান আমির হোসেন। দেলোয়ারের বাড়ি বরিশাল জেলার গৌরনদী থানার হাসনাবাদ এলাকায়। তার বাবার নাম আবদুল বেপারী। অপরদিকে আমির হোসেনের বাড়ি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানায়। তার বাবার নাম মোহাম্মদ আলী। পুলিশ জানায়, বুধবার সন্ধ্যায় শপিং কমপ্লেক্সের আন্ডারগ্রাউন্ড অংশে দেলোয়ার বৈদ্যুতিক ওয়ারিংয়ের কাজ করছিলেন। আমির তাকে সহযোগিতা করছিলেন।


