এত দিন ‘ওপেনহাইমার’ ছিল তালিকার শীর্ষে। ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি বিশ্বজুড়ে প্রায় ৯৭৫ মিলিয়ন ডলার আয় করে ইতিহাসের সফলতম বায়োপিকের স্বীকৃতি পায়। পরমাণু বোমার জনক মার্কিন বিজ্ঞানী রবার্ট ওপেনহাইমারের এ বায়োপিক পরিচালনা করেন ক্রিস্টোফার নোলান।
প্রায় তিন বছরের মাথায় ওপেনহাইমারের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়ে বায়োপিকের ইতিহাসে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে ‘মাইকেল’। পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের জীবনের গল্প নিয়ে তৈরি সিনেমাটি এখন পর্যন্ত আয় করেছে ৯৭৭ মিলিয়ন ডলার। দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বিলিয়ন ডলার ক্লাবের দিকে। এর মাধ্যমে বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি আয়কারী বায়োপিক হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে মাইকেল।
এর আগে ‘বোহেমিয়ান র্যাপসোডি’কে টপকে ইতিহাসের সর্বকালের সবচেয়ে সফল মিউজিক্যাল বায়োপিকের স্বীকৃতি পায় মাইকেল। ব্রিটিশ রক ব্যান্ড কুইনের গায়ক ফ্রেডি মার্কারির এই বায়োপিক মুক্তি পেয়েছিল ২০১৮ সালে। আয় করেছিল ৯০৪ মিলিয়ন ডলার। এ মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বোহেমিয়ান র্যাপসোডি ছিল সবচেয়ে সফল মিউজিক্যাল বায়োপিক। কিন্তু পপসম্রাটের ম্যাজিক সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।
লায়ন্সগেট নির্মিত বিগ বাজেটের মাইকেল পরিচালনা করেছেন অ্যান্টোইন ফুকুয়া। এতে মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তাঁরই আপন ভাতিজা জাফর জ্যাকসন। পর্দায় জাফরের নিখুঁত নাচ, হাঁটার শৈলী, কণ্ঠের জাদু এবং মাইকেলের অবিকল রূপান্তর দর্শকদের আবেগপ্রবণ করার পাশাপাশি সমালোচকদেরও প্রশংসা কুড়িয়েছে।
মাইকেল বায়োপিকে কেবল পপসম্রাটের সাফল্যগাথা নয়, তুলে আনা হয়েছে তাঁর ব্যক্তিজীবনের গভীর অন্ধকার ও তীব্র নিঃসঙ্গতা আখ্যানও। সব বাধা পেরিয়ে নিজের আলো দিয়ে কীভাবে তিনি গোটা বিশ্বকে দশকের পর দশক মাতিয়ে রেখেছিলেন, বায়োপিকে তা নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।








