প্যারাগুয়েকে হারিয়ে ফ্রান্স বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠায় কি শুধু প্যারিস উল্লসিত? উদ্যাপন করেছেন ফ্রান্সের ফুটবলার ও সাপোর্ট স্টাফরাও। উল্লাস হয়েছে আলজেরিয়া, সেনেগাল, হাইতি, কঙ্গো, আইভরি কোস্ট-এমনকি, শেষ আটে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ মরক্কোয়ও। কারণ, সেসব দলেও রয়েছেন ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া ফুটবলার। ফ্রান্সের লা শাপেল গ্রাম। রাজধানী প্যারিসের উত্তর-পূর্বের এই গ্রামে বিশ্বকাপের সময় বড় পর্দায় দেখানো হয় খেলা। এবার পাশাপাশি লাগানো দুটি পর্দা। একটিতে চলছিল ফ্রান্স-নরওয়ে ম্যাচ। অপরটিতে সেনেগাল-ইরাক ম্যাচ। কারণ, সেনেগালের দলেও রয়েছেন ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া বেশ কয়েকজন ফুটবলার। লা শাপেলে একটা বড় অংশ আফ্রিকান। জানুয়ারি মাসে আফ্রিকান কাপ অফ নেশন্সে মরক্কোকে হারিয়ে সেনেগাল জেতার পর এই গ্রামের রাস্তায় হয়েছিল বিজয়োল্লাস। যদিও পরে সেনেগালের বদলে আবার মরক্কোকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করে আফ্রিকার ফুটবল সংস্থা।
পাঁচ মাস পর এক দিকে যখন উসমান দেম্বেলের হ্যাটট্রিকে উল্লাস চলছে, অন্যদিকে তখন পাপা গেয়ির জোড়া গোল দেখে নাচছেন অনেকে। সে এক মজার দৃশ্য। ফ্রান্স ও সেনেগালের জয় সমানভাবে উদ্যাপন করা হয়।








