মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’-এর জাতীয় পর্যায়ের প্রদর্শনী আগামীকাল সোমবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। একই অনুষ্ঠানে দেশের ২৯ হাজার ৬২১টি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিমের আওতায় আয়োজিত এ কর্মসূচির এবারের প্রতিপাদ্য ‘মেধা, বিজ্ঞান, উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।
জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষে আজ রোববার শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র পরিদর্শন করে সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে জেলা ও মহানগর পর্যায় থেকে নির্বাচিত সেরা ১০০টি দল তাদের স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করবে। বেলা ২টায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণের কথা রয়েছে।
গত ১২ জুন দেশের ৫২১টি উপজেলা ও মহানগর শিক্ষা থানায় উপজেলা পর্যায়ের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৮ হাজার ২৯টি দলে ২৭ হাজার ২০৪ জন শিক্ষার্থী এবং ১৬ হাজার ৫৮ জন শিক্ষক অংশ নেন। উপজেলা পর্যায় থেকে নির্বাচিত ৫৪৬টি দল ১৪ জুন জেলা পর্যায়ে তাদের স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করে।
জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা থেকে সেরা ১০টি দলকে ট্রফি দেওয়া হবে। এছাড়া নির্বাচিত শিক্ষকদের ‘সু-শিক্ষায় মেধাবী শিক্ষক পুরস্কার’ এবং শিক্ষার্থীদের ‘উদ্ভাবনী মেধাবী শিক্ষার্থী পুরস্কার’ দেওয়া হবে। নির্বাচিত শিক্ষকেরা ৩০ হাজার টাকা ও সনদপত্র এবং শিক্ষার্থীরা ২০ হাজার টাকা ও সনদপত্র পাবেন।
এদিকে একই অনুষ্ঠানে দেশের ২৯ হাজার ৬২১টি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ১৮ হাজার ৯০৭টি বিদ্যালয়, এক হাজার ৪৪৬টি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ৯ হাজার ২৬৮টি মাদ্রাসা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এটি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ এবং ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির অংশ।








