কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বুধবার (৫ আগস্ট) দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ মিশন।
দিনের শুরুতে মিশন প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা করেন ডেপুটি হাইকমিশনার মো. খালেদ।
পরে মিশনের বাংলাদেশ গ্যালারিতে আলোচনা ও স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। শুরুতেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ সময় সোনালী ব্যাংক ও বিমান বাংলাদেশের কর্মকর্তারাও অংশ নেন।
এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।
রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন কনস্যুলার (রাজনৈতিক) মিস মরিয়ম বেগম স্বর্ণা। প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন কনস্যুলার (এডুকেশন অ্যান্ড স্পোর্টস) সৈয়দ আসাফ রেজা। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) সাবরিন চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন তৃতীয় সচিব (কনস্যুলার) মো. আরিফুর রহমান।
পরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক কয়েকটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
মূল আলোচনা পর্বে স্বাগত বক্তব্য দেন কনস্যুলার (রাজনৈতিক) ও দূতালয়প্রধান আয়েশা আক্তার।
আলোচনায় অংশ নেন প্রথম সচিব (কনস্যুলার) মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান এবং সোনালী ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. রাশেদুজ্জামান রঞ্জু।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ খালেদ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। পাশাপাশি দেশ গঠনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও তিনি বক্তব্য দেন।
পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) ও ভারপ্রাপ্ত প্রেস কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক আকন্দ।
ডিডি/এমএসএম








