স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, কক্সবাজারকে ঘিরে উচ্চশিক্ষা ও সামুদ্রিক গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণের প্রচেষ্টা চলছে। এ লক্ষ্যে সরকার একটি মেরিন ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সামুদ্রিক শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে ৫০০ শয্যার কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রসম্পদ ও সমুদ্রবন্দরকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশ বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করতে সক্ষম হবে। নীল অর্থনীতির (ব্লু ইকোনমি) সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। কক্সবাজারের অপরিসীম পর্যটন সম্ভাবনাকে পূর্ণাঙ্গভাবে কাজে লাগানোর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের অবদান রাখা সম্ভব বলেও জানান তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ইতঃপূর্বে ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে ইচ্ছেমতো বিভিন্ন এলাকাকে ইসিএ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। জরিপকার্য পরিচালনার মাধ্যমে পর্যটনের বিকাশের জন্য এসব এলাকা পুনর্বিবেচনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রকৃতিকে সংরক্ষণ করে পর্যটনের উন্নয়নে সব ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। শুধু উঁচু ইমারত নির্মাণই পর্যটন হতে পারে না। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সব এলাকাজুড়েই পর্যটনকেন্দ্রিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে হবে। বিশ্বব্যাপী কক্সবাজারের সৌন্দর্য ছড়িয়ে দিয়ে ভ্রমণপিপাসুদের আকৃষ্ট করতে হবে। শুধু অবকাঠামো নির্মাণকে গুরুত্ব না দিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করেই পর্যটন সম্প্রসারণের চেষ্টা করতে হবে।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ কখনোই আওয়ামী লীগের রাজনীতি গ্রহণ করবে না। কীসের হাসিনা, তার চেহারা কী দেখা গেছে? মাঝেমধ্যে শুধু আওয়াজ-টাওয়াজ শোনা যায়। তারা চেষ্টা করছে, বাংলাদেশে কোনো অস্থিরতা সৃষ্টি করা যায় কি না। বাংলাদেশের মানুষ কখনোই তাদের এসব রাজনীতি গ্রহণ করবে না।
হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য শাহাজাহান চৌধুরী, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শামীম আরা স্বপ্না, কউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন, কমেক অধ্যক্ষ মুজিবুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সায়ীদ আলমগীর/কেএইচকে/জেআইএম








