৩৯ বছর বয়সে এসে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে আরেকটি স্মরণীয় ম্যাচ খেললেন লিওনেল মেসি। কানসাসে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে অ্যাসিস্ট করেন। তবে ম্যাচের এক পর্যায়ে ডান চোখে আঘাত পেয়ে রক্তাক্তও হন, যা যোগ করে আরও নাটকীয়তা।
সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে উঠলেও জয়টি আসে অতিরিক্ত সময়ে। একই সঙ্গে শেষ হয় মেসির টানা নয় ম্যাচে গোল করার দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা।
তবে সেটি যেন গুরুত্বই হারিয়ে যায় দলের জয়ের আনন্দে। কঠিন লড়াই শেষে স্বস্তির হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়েন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তিনি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠলেন। এখন লক্ষ্য টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জয়, যা হলে আর্জেন্টিনার ইতিহাসে হবে চতুর্থ বিশ্বকাপ ট্রফি।
আগামী বুধবার আটলান্টায় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার ভোরে।
পুরো ম্যাচজুড়েই ছিল উত্তেজনার ছাপ। এক পর্যায়ে মেসিকে আঙুল তুলে পর্তুগিজ রেফারি জোয়াও পিনেইরোর সঙ্গে তর্ক করতে দেখা যায়। আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম ওলে-এর দাবি, ঠোঁটের ভাষা বিশ্লেষণে দেখা গেছে মেসি রেফারির কাছে ‘সম্মান’ দাবি করছিলেন।
ম্যাচ চলাকালীন টেলিভিশনের ক্যামেরায় মেসির ডান চোখ থেকে রক্তপাতের দৃশ্যও ধরা পড়ে। এক হাইড্রেশন বিরতিতে তিনি নিজের চোখে পানি দেন এবং দ্বিতীয়ার্ধে চিকিৎসা নেন।
গোল না পেলেও ম্যাচের শেষভাগে মেসির পারফরম্যান্স আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। সুইস ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলো লাল কার্ড দেখার পর আক্রমণে বেশি জায়গা পান তিনি। একবার ডান পায়ের দুর্দান্ত শট নেন, যা অল্পের জন্য গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেলের জালে জড়ায়নি। আরেকটি সুযোগে কোবেলের সঙ্গে একা হয়ে গেলেও তাকে চিপ করে পরাস্ত করতে পারেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
আরআর/আইএন








