বাংলাদেশ শিল্পী সমিতির নির্বাচন উপলক্ষে বিএফডিসিতে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল সকাল অনেক তারকাই ভোটপ্রদানের জন্য বিএফডিসিতে উপস্থিত হয়েছেন।  

সকাল সোয়া ১১টার দিকে বিএফডিসিতে পৌঁছান জনপ্রিয় অভিনেতা আলীরাজ। তার কাছে প্রশ্ন রাখা হয়, নির্বাচনের পরিস্থিতি কেমন দেখছেন? এ প্রশ্নের জবাবে আলীরাজ বলেন, “এখন পর্যন্ত ভালো। আর কারচুপির কোনো প্রশ্নই আসে না।”  

খানিকটা ব্যাখ্যা করে আলীরাজ বলেন, “শিল্পী মানেই হলো সচেতন, শিল্পীরা ফুলের মতো। কারচুপির কোনো প্রশ্নই আসে না। এখন পর্যন্ত আমরা যে নির্বাচন দেখছি, তা সুষ্ঠু-সুন্দর, খুবই হৃদ্যতাপূর্ণ নির্বাচন হচ্ছে।” 

শিল্পী সমিতির নির্বাচনে দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। একটির সভাপতি পদে লড়ছেন ফাইট ডিরেক্টর ও প্রযোজক মকবুল হোসেন আরমান, সাধারণ সম্পাদক পদে চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। এ প্যানেলে সহসভাপতি পদে রয়েছেন নূতন ও ইলিয়াস কোবরা। সহসাধারণ সম্পাদক পদে রিনা খান, সাংগঠনিক সম্পাদক চুন্নু, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক এম এ পারভেজ চৌধুরী আবীর, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক রাসেল মিয়া, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক মারুফ আকিব এবং কোষাধ্যক্ষ পদে কমল নির্বাচন করছেন।   

অন্য প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী অভিনেতা শিবা শানু এবং সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী চিত্রনায়ক জয় চৌধুরী। এ প্যানেলে সহসভাপতি পদে রয়েছেন রোজিনা ও ডি এ তায়েব। সহসাধারণ সম্পাদক পদে সুব্রত, সাংগঠনিক সম্পাদক সনি রহমান, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক পলি, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক জ্যাকি আলমগীর, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক মুসফেকুল জামিল এবং কোষাধ্যক্ষ পদে জাদু আজাদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।  

এই দুই প্যানেলের বাইরেও ১০ জনের বেশি শিল্পী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও নির্বাচনে লড়ছেন।  

সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া শিল্পী সমিতির ২০২৬–২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। জুমার নামাজের জন্য দুপুরে এক ঘণ্টার বিরতি থাকবে। এবার মোট ভোটার সংখ্যা ৫৭৩ জন।