কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আরিফুল ইসলাম (২৭) নামের এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর পর কারা কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কারাগারে ওই আসামি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আরিফুল ইসলাম কুষ্টিয়ার খোকসা রঘুনাথপু গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে।
নিহত আরিফুল ইসলাম কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার শোমসপুর ইউনিয়নের রাজীনাথপুর গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে। তিনি একটি ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে ২০১৯ সাল থেকে কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে বন্দি ছিলেন।
কুষ্টিয়া জেলা কারাগারের জেল সুপার শরিফুল আলম জানান, মঙ্গলবার রাত সড়ে ৮টার দিকে কারাগারের ভেতরে আরিফুল হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিক তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ইকবাল হাসান বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই ওই কয়েদীর মৃত্যু হয়েছে।
জেল সুপার আরও জানান, মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তিনি আরও বলেন, মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক নজরুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে কারাগার থেকে আরিফুল ইসলাম নামে একজনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়।
আল-মামুন সাগর/এফএ



