কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) সম্পর্কিত চাঁদাবাজির অভিযোগের প্রতিবাদ করায় কৃষিবিদ ডা. শাহাদাত হোসেন পারভেজের ওপর হামলা হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সমাবেশ করেছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষাক-শিক্ষার্থীরা।  

শনিবার (২৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের সামনে আয়োজিত এ সমাবেশে অ্যাবের সাবেক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পেশাজীবী ও বিভিন্ন পর্যায়ের কৃষিবিদরা অংশ নেন।

​সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন শেকৃবির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক খোন্দকার আসাদুজ্জামান কিটন। বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. মো. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. মাহবুব ইসলাম, শেকৃবি ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কৃষিবিদ মো. সাইফুল্লাহ আজাদ, শেকৃবি ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ ডা. মমতাজ আলী, শেকৃবি ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কৃষিবিদ মো. এমদাদুল হক দুলু, শেকৃবি ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ মো. লুৎফুর রহমান মৃদুল, শেকৃবি ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কৃষিবিদ শফিকুল ইসলাম নোবেল, শেকৃবি ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ মার্শাল, শেকৃবি ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ নাসিরুদ্দিন মাহমুদ মিল্টন, শেকৃবি ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ মেহেদী মোহাইমেনুর রহমান পলাশ প্রমুখ।

আরও পড়ুন

খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

​সমাবেশে বক্তারা বলেন, কেআইবির মতো একটি পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানে আর্থিক লেনদেন, চাপ প্রয়োগ এবং ভিন্নমত দমনের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৪ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ নিয়ে প্রতিবাদ জানানোর পর গত ৪ জুন কেআইবি প্রাঙ্গণে কৃষিবিদ শাহাদাত হোসেন পারভেজের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। পরে ১৬ জুন হামলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে কৃষিবিদ সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

​বক্তারা অভিযোগ করেন, ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় কৃষিবিদ ডা. শাহাদত হোসেন বিপ্লবের সঙ্গে পারভেজের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের পরপরই তার সঙ্গে থাকা লোকজন কৃষিবিদ পারভেজের ওপর উপর্যুপরি হামলা চালায়। বক্তারা ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। 

আরও পড়ুন

বাজেটে আসছে নানা বদল, ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন জমা বাতিল হতে পারে

​সমাবেশে আরও বলা হয়, কৃষিবিদ শাহাদাত হোসেন পারভেজ দীর্ঘদিন জাতীয়তাবাদী আদর্শের পেশাজীবী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। এমন একজন পেশাজীবী নেতার ওপর প্রকাশ্যে হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। 

​পেশাজীবী সংগঠনের ভেতরে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর সুযোগ দেওয়া যাবে না উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে পরবর্তী সময়ে সারাদেশের কৃষিবিদ, পেশাজীবী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

এমডিএসএ/কেএসআর