বর্ষা মৌসুম এলেই বাজারে দেখা মেলে দেশীয় নানা ফলের। এরই মধ্যে মাগুরার বিভিন্ন বাজারে উঠতে শুরু করেছে সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে ভরপুর আঁশফল। টক-মিষ্টি স্বাদের এই মৌসুমি ফল কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজর সামনে ও চৌরঙ্গীর মোড়ে ফলের দোকানগুলোতে এখন মিলছে দেশীয় আঁশফল।
দেশীয় ফলের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আঁশফলের চাহিদাও বাড়ছে। মৌসুমজুড়ে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলে ক্রেতারা যেমন উপকৃত হবেন; তেমনই লাভবান হবেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় বাগানসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা এ ফল বিক্রি হচ্ছে বাণিজ্যিকভাবে। আকারে ছোট হলেও স্বাদ ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ হওয়ায় সব বয়সী মানুষের কাছেই এর চাহিদা আছে।
আরও পড়ুন
অসময়ের তরমুজ চাষে পাকুন্দিয়ার কৃষকের মুখে দ্বিগুণ হাসি
মঘিরঢাল এলাকার বিক্রেতা আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘মৌসুমের শুরু হওয়ায় সরবরাহ এখনো সীমিত। তবে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বাজারে আঁশফলের পরিমাণ আরও বাড়বে। বর্তমানে মানভেদে প্রতি কেজি আঁশফল ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।’

ইছেখাদা গ্রামের বিক্রেতা আশরাফ মোল্লা বলেন, ‘দেশি ফল হিসেবে আঁশফলের চাহিদা মৌসুম এলেই বৃদ্ধি পায়। তবে গ্রাম থেকে কিনে এনে অল্প কিছু লাভে বিক্রি করছি। প্রতি পিস ১ টাকা এবং প্রতি কেজি ১৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।’
ক্রেতা সোহান খাঁন বলেন, ‘শৈশবের পরিচিত এই দেশীয় ফল এখন খুব বেশি পাওয়া যায় না। তাই বাজারে আঁশফল উঠতেই অনেকে পরিবারের জন্য কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। ছোটবেলার বাগানে কুড়ানো ফল বাণিজ্যিকভাবে বাজারেও বিক্রি হচ্ছে।’
আরও পড়ুন
মধুপুরের আনারসের সুনাম সারাদেশে, লাভবান চাষিরা

গাইনি বিশেষজ্ঞ অন্যা শাখারী জাগো নিউজকে বলেন, ‘আঁশফলে আছে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও খাদ্যআঁশ। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হজমে সহায়তা করে এবং শরীরকে সতেজ রাখে। তবে যে কোনো ফলের মতো এই আঁশফল পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।’
মো. মিনারুল ইসলাম জুয়েল/এসইউ








